বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ২০২৬
বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম জানুন কারণ অনেকে জানে না বিকাশের পিন ভুলে গেলে কিভাবে রিসিভ করবেন এবং তাদের অ্যাকাউন্টগুলো হারিয়ে ফেলে।
বিকাশ-পিন-ভুলে-গেলে-রিসেট-করার-সহজ-নিয়ম-২০২৬
সহজ কিছু ধাপ অনুসরণ করলেই আপনি সহজেই বিকাশের পিন রিসেট করতে পারবেন যা আমরা আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে বিস্তারিত জানতে পারবো।

পেইজ সূচিপত্রঃ বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম

বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম

অনলাইনে পেমেন্ট করার জন্য বিকাশ আমাদের একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সার্ভিস যার পিন ভুলে গেলে আমরা বিভিন্ন সমস্যাই পড়ে থাকি এজন্য আমাদের বিকাশের পিন রিসেট করা জানা প্রয়োজন। মূলত বর্তমান সময়ে বিকাশ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ এই সেবা ব্যবহার করে লেনদেন করে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে বিকাশের পিন ভুলে যাওয়াটা অনেকের কাছেই একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয় এবং এই সমস্যার সঠিক সমাধান না জানলে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব হয় না।

মূলত বিকাশ পিন রিসেট করার বিষয়টি অনেকের কাছে জটিল মনে হলেও সঠিক নিয়ম জানা থাকলে এটি অত্যন্ত সহজ একটি প্রক্রিয়া। যারা সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করেন তারা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের বিকাশ পিন পুনরায় সেট করে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সক্ষম হন। তাই বিকাশ পিন রিসেট করার সকল গুরুত্বপূর্ণ নিয়মকানুন সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিতভাবে জানা খুবই প্রয়োজনীয়।

চলুন, বিকাশ পিন রিসেট করার সহজ নিয়ম নিয়ে আমরা স্টেপ বাই স্টেপ বিস্তারিতভাবে জেনে নেই। আপনারা যদি এই সকল বিষয়গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করেন তাহলে পিন ভুলে গেলেও খুব দ্রুত এবং সহজেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনাদের বিকাশ অ্যাকাউন্ট পুনরায় সচল করা সম্পূর্ণভাবে সম্ভব হবে।

বিকাশ পিন ভুলে গেলে প্রথমে কী করবেন

বিকাশ পিন ভুলে গেলে সবার প্রথমে আপনাকে শান্ত থাকতে হবে এবং বারবার ভুল পিন দেওয়ার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ একটানা কয়েকবার ভুল পিন দিলে বিকাশ অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্লক হয়ে যেতে পারে এবং তখন সমস্যাটি আরো জটিল হয়ে পড়ে। তাই প্রথমবার পিন মনে না পড়লেই দ্রুত পিন রিসেটের পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত এবং অনুমান করে বারবার ভুল পিন দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা উচিত।

পিন ভুলে গেলে দ্বিতীয় যে কাজটি করবেন তা হলো আপনার বিকাশ নম্বরের সাথে রেজিস্ট্রেশন করা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রস্তুত রাখুন কারণ পিন রিসেটের প্রতিটি পদ্ধতিতেই আপনার পরিচয় যাচাইয়ের জন্য এই তথ্য প্রয়োজন হবে। আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির নম্বর এবং জন্মতারিখ মনে রাখুন। এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিতে পারলেই পিন রিসেটের প্রক্রিয়া সহজে সম্পন্ন হয়।
তৃতীয়ত, আপনার কাছে যে মোবাইল নম্বরে বিকাশ অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেই সিমটি সচল এবং আপনার হাতে থাকা নিশ্চিত করুন কারণ পিন রিসেটের সময় উক্ত নম্বরে ওটিপি বা ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হয়। সিমটি যদি অন্য ফোনে থাকে বা বন্ধ থাকে তাহলে পিন রিসেট করা সম্ভব হবে না। তাই পুরো পিন রিসেট প্রক্রিয়া শুরু করার আগে এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করুন এবং তারপর নিচের যেকোনো পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

বিকাশ অ্যাপ থেকে পিন রিসেট করার নিয়ম

বিকাশ অ্যাপ থেকে পিন রিসেট করা সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত পদ্ধতি যা যেকোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকে করা যায়। এই পদ্ধতিতে পিন রিসেট করতে হলে প্রথমে আপনার মোবাইলে বিকাশ অ্যাপটি খুলুন এবং লগইন স্ক্রিনে যান। লগইন পেজে আপনার বিকাশ নম্বর দেওয়ার নিচে বা পিন দেওয়ার ঘরের নিচে "পিন ভুলে গেছেন" বা "Forgot PIN" অপশনটি দেখতে পাবেন যেখানে ক্লিক করলে পিন রিসেটের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এরপর আপনার বিকাশ নম্বরটি দিন এবং পরবর্তী ধাপে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যেমন এনআইডি নম্বর এবং জন্মতারিখ সঠিকভাবে পূরণ করুন। এই তথ্যগুলো বিকাশের সিস্টেমে থাকা আপনার রেজিস্ট্রেশন তথ্যের সাথে মিলে গেলে আপনার বিকাশ নম্বরে একটি ওটিপি বা ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। সেই কোডটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে দিলে আপনি নতুন পিন সেট করার সুযোগ পাবেন। আপনি যদি বিকাশ অ্যাপ বাও ব্যবহার করেন তাহলে আপনার জানা প্রয়োজন বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম।

নতুন পিন সেট করার সময় এমন একটি ৫ সংখ্যার পিন বেছে নিন যা আপনি সহজে মনে রাখতে পারবেন কিন্তু অন্য কেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না। নতুন পিন দুবার নিশ্চিত করে সাবমিট করলেই পিন রিসেট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং আপনি নতুন পিন দিয়ে সাথে সাথে বিকাশ অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয় বলে এটি সবচেয়ে সুবিধাজনক পদ্ধতি।

বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে পিন রিসেট

বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে পিন রিসেট করা আরেকটি কার্যকরী পদ্ধতি যা বিশেষভাবে তাদের জন্য উপযুক্ত যারা অ্যাপ ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না বা অ্যাপের মাধ্যমে পিন রিসেট করতে সমস্যা হচ্ছে। বিকাশের অফিশিয়াল কাস্টমার কেয়ার নম্বর হলো ১৬২৪৭ যেখানে সপ্তাহের সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা সহায়তা পাওয়া যায়। এই নম্বরে কল করার সময় আপনার বিকাশ নম্বর থেকেই ফোন করা সবচেয়ে ভালো কারণ তাহলে আপনার পরিচয় যাচাই করা সহজ হয়।
বিকাশ-পিন-ভুলে-গেলে-রিসেট-করার-সহজ-নিয়ম-২০২৬
কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে প্রথমে একটি অটোমেটেড মেনু আসবে যেখান থেকে পিন রিসেটের অপশনটি সিলেক্ট করুন বা সরাসরি একজন প্রতিনিধির সাথে কথা বলার জন্য অপেক্ষা করুন। প্রতিনিধির সাথে সংযোগ হলে তারা আপনার পরিচয় যাচাই করার জন্য কিছু প্রশ্ন করবেন যেমন আপনার নাম, জন্মতারিখ, এনআইডি নম্বর এবং সর্বশেষ লেনদেনের তথ্য। এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিতে পারলে তারা আপনার পিন রিসেটের ব্যবস্থা করে দেবেন।

কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে পিন রিসেট হলে সাধারণত আপনার বিকাশ নম্বরে একটি টেম্পোরারি পিন পাঠানো হয় বা অ্যাপের মাধ্যমে নতুন পিন সেট করার সুযোগ দেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে কখনো কখনো একটু বেশি সময় লাগতে পারে কারণ কলের সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে কিন্তু এটি একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। তাই অ্যাপ থেকে পিন রিসেট না হলে কাস্টমার কেয়ারে কল করা সবচেয়ে ভালো বিকল্প।

বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে পিন রিসেট করার উপায়

বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে পিন রিসেট করা তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো যারা অ্যাপ বা ফোনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে পারছেন না এবং সরাসরি কারো সাহায্য নিতে চান। নিকটস্থ যেকোনো বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে বলুন যে আপনার বিকাশ পিন ভুলে গেছে এবং পিন রিসেট করতে চান। এজেন্ট আপনাকে বিকাশের নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পিন রিসেট করতে সাহায্য করবেন তবে এর জন্য অবশ্যই আপনার মূল জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সিমকার্ডটি সাথে নিয়ে যেতে হবে।
এজেন্টের কাছে গেলে তিনি প্রথমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করবেন এবং নিশ্চিত করবেন যে আপনিই সেই বিকাশ অ্যাকাউন্টের মালিক। এরপর তিনি বিকাশের সিস্টেমে পিন রিসেটের অনুরোধ করবেন এবং আপনার নম্বরে একটি ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। এই কোড দিয়ে নতুন পিন সেট করার সুযোগ পাবেন এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি এজেন্টের সহায়তায় সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন।

মনে রাখবেন যে বিকাশ এজেন্টের কাছে কখনো আপনার বিকাশ পিন বলবেন না বা এজেন্টকে আপনার পিন জানাতে দেবেন না। পিন রিসেটের পুরো প্রক্রিয়াটি এজেন্টের সহায়তায় করলেও নতুন পিনটি শুধুমাত্র আপনি নিজেই সেট করবেন এবং কাউকে জানাবেন না। যদি কোনো এজেন্ট আপনার পিন জানতে চান তাহলে সেটি সম্পূর্ণ অনুচিত এবং সেক্ষেত্রে বিকাশের অফিশিয়াল কাস্টমার কেয়ারে জানানো উচিত। বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম আপনার জানা থাকলে আপনি অন্যদেরও পিন রিসেট করতে সাহায্য করতে পারবে।

বিকাশ পিন ভুল দিলে অ্যাকাউন্ট ব্লক হলে করণীয়

বিকাশে একটানা বেশ কয়েকবার ভুল পিন দিলে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্লক হয়ে যায় এবং এই অবস্থায় স্বাভাবিক উপায়ে পিন রিসেট করার অপশনটি কাজ নাও করতে পারে। অ্যাকাউন্ট ব্লক হলে প্রথমে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন কারণ কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনব্লক হয়ে যায় এবং তখন স্বাভাবিক পদ্ধতিতে পিন রিসেট করা যায়। তবে যদি দীর্ঘ সময় পরেও অ্যাকাউন্ট আনব্লক না হয় তাহলে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করাই সবচেয়ে ভালো সমাধান।

বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে জানান যে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়েছে এবং পিন রিসেট করতে চান। তারা আপনার পরিচয় যাচাই করার পর অ্যাকাউন্ট আনব্লক করার এবং পিন রিসেট করার ব্যবস্থা নেবেন। এই প্রক্রিয়ায় একটু বেশি সময় লাগতে পারে তবে সমস্যাটি নিশ্চিতভাবে সমাধান হবে এবং আপনার অ্যাকাউন্ট পুনরায় সক্রিয় হবে।

ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বিকাশ পিন ভুলে যাওয়ার সাথে সাথেই পিন রিসেটের পদ্ধতি অনুসরণ করুন এবং কখনো অনুমান করে বারবার ভুল পিন দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া এড়াতে পারলে পিন রিসেট প্রক্রিয়া অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। তাই সতর্কতা অবলম্বন করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম না জানা থাকলে পিন ভুলে গেলে আর অ্যাকাউন্ট হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

বিকাশ পিন রিসেট করতে কী কী তথ্য লাগবে

বিকাশ পিন রিসেট করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট তথ্য প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি কারণ এই তথ্যগুলো ছাড়া পিন রিসেটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর যা বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। এছাড়া আপনার জন্মতারিখ এবং বিকাশ নম্বরটিও প্রয়োজন হবে এবং এই তথ্যগুলো অবশ্যই বিকাশের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের সাথে হুবহু মিলতে হবে।

কিছু ক্ষেত্রে বিকাশ আপনার সর্বশেষ লেনদেনের তথ্যও জানতে চাইতে পারে যেমন সর্বশেষ কত টাকা পাঠিয়েছিলেন বা কোথা থেকে টাকা গ্রহণ করেছিলেন। তাই আপনার সাম্প্রতিক লেনদেনের একটি মোটামুটি ধারণা মাথায় রাখা ভালো কারণ এটি পরিচয় যাচাইয়ে সাহায্য করে। এছাড়া আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেজিস্ট্রেশন করা পাসপোর্ট নম্বরও কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে যদি পাসপোর্ট দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে থাকে।

মনে রাখবেন যে পিন রিসেটের সময় আপনাকে যে তথ্যগুলো দিতে বলা হবে সেগুলো কেবলমাত্র বিকাশের অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমেই দেবেন। কেউ যদি ফোনে বা মেসেজে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চায় এবং নিজেকে বিকাশ প্রতিনিধি বলে দাবি করে তাহলে সতর্ক থাকুন কারণ এটি প্রতারণামূলক হতে পারে। বিকাশ কখনো আপনার কাছ থেকে পিন বা ওটিপি জানতে চাইবে না। বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম জানা সবার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

বিকাশ পিন সুরক্ষিত রাখার কার্যকরী উপায়

বিকাশ পিন সুরক্ষিত রাখা আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি নিশ্চিত করলে পিন ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। একটি শক্তিশালী পিন তৈরি করুন যা সহজে অনুমান করা যায় না অর্থাৎ ১২৩৪৫ বা ১১১১১ এর মতো সহজ পিন কখনো ব্যবহার করবেন না। আপনার জন্মতারিখ বা ফোন নম্বরের অংশ পিন হিসেবে না রাখাই ভালো কারণ এগুলো অন্যরা সহজেই অনুমান করতে পারে।
পিনটি এমনভাবে মনে রাখুন যাতে লিখে রাখার প্রয়োজন না হয় কারণ লিখে রাখলে অন্য কেউ দেখে ফেলার সম্ভাবনা থাকে। যদি মনে রাখা কঠিন হয় তাহলে কোনো বিশ্বস্ত পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন তবে সেখানেও নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। কখনো পিন অন্য কাউকে বলবেন না এমনকি পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যকেও নয় কারণ পিনের গোপনীয়তাই আপনার অ্যাকাউন্টের সুরক্ষার মূল ভিত্তি।

নিয়মিত বিরতিতে বিকাশের পিন পরিবর্তন করা একটি ভালো নিরাপত্তা অভ্যাস এবং বিশেষত যদি আপনার মনে হয় যে কেউ আপনার পিন দেখে ফেলেছে তাহলে সাথে সাথেই পিন পরিবর্তন করুন। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে পিন পরিবর্তন করা অত্যন্ত সহজ এবং এটি নিয়মিত করলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা অনেকটাই নিশ্চিত থাকে। মনে রাখবেন যে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা সম্পূর্ণ আপনার হাতে এবং সচেতন থাকলেই সব ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

বিকাশ পিন রিসেট করতে কতদিন সময় লাগে

বিকাশ পিন রিসেট করতে কতদিন সময় লাগে এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই থাকে কারণ পিন ভুলে গেলে দ্রুত অ্যাকাউন্ট চালু করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সাধারণত বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে পিন রিসেট করলে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় এবং আপনি সাথে সাথেই নতুন পিন দিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন। এটি সবচেয়ে দ্রুত পদ্ধতি বলে জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাপের মাধ্যমে পিন রিসেট করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
বিকাশ-পিন-ভুলে-গেলে-রিসেট-করার-সহজ-নিয়ম-বিস্তারিত
কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে পিন রিসেট করতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে কারণ কলের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে এবং পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটিও সম্পন্ন করতে হয়। সাধারণত কাস্টমার কেয়ারে ফোন করার পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই পিন রিসেটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে ব্যস্ত সময়ে অর্থাৎ দিনের শুরুতে বা বিশেষ উপলক্ষে কলের চাপ বেশি থাকলে অপেক্ষার সময় একটু বেশি হতে পারে।

বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে পিন রিসেট করতেও সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট লাগে তবে এজেন্টের কাছে যাতায়াতের সময় এতে যোগ করলে মোট সময় একটু বেশি হতে পারে। অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেলে সমস্যা সমাধানে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে তবে বিকাশ কর্তৃপক্ষ সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ধরনের সমস্যার সমাধান করে দেন। তাই ধৈর্য ধরে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে পিন রিসেট একটি সহজ এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

লেখকের শেষ কথা

তাহলে, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা বিস্তারিত জানতে পারলাম আপনার বিকাশের পিন যদি ভুলে যান তাহলে কিভাবে সেটি রিসেট করবেন। বিকাশের পিন রিসেট করা সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো অ্যাপ থেকে রিসেট করা এবং তাদের কাস্টমার সার্ভিসের সাহায্য নেওয়া যার মাধ্যমে আপনি সহজেই বিকাশের পিন রিসেট করতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এই পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে বিকাশ পিন ভুলে গেলে রিসেট করার সহজ নিয়ম, বিকাশ পিন ভুলে গেলে প্রথমে কী করবেন, বিকাশ অ্যাপ থেকে পিন রিসেট করার নিয়ম, বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে পিন রিসেট, বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে পিন রিসেট করার উপায়, বিকাশ পিন ভুল দিলে অ্যাকাউন্ট ব্লক হলে করণীয়, বিকাশ পিন রিসেট করতে কী কী তথ্য লাগবে, বিকাশ পিন সুরক্ষিত রাখার কার্যকরী উপায়, বিকাশ পিন রিসেট করতে কতদিন সময় লাগে ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url