কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক | কোয়েলের ডিম অতিরিক্ত খেলে কী হয়

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার নিয়ম
কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা তবে কোয়েল পাখির ডিম আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার এবং অনেকেই মনে করেন এটি একটি সুপারফুড।
কোয়েল-পাখির-ডিমের-ক্ষতিকর-দিক
কোয়েল পাখির ডিম যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত বা ভুল নিয়মে খেলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। তাই আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো কোয়েল পাখির ডিমের সকল ক্ষতিকর দিকগুলো।

পোস্ট সূচীপত্রঃ কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক

কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক

কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য অনেক জরুরি কারণ অনেকেই মনে করেন যে এটি শুধুমাত্র উপকারী এবং কোনো ক্ষতি নেই যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কোয়েল পাখির ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে এবং অতিরিক্ত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। একটি কোয়েল পাখির ডিমে প্রায় ৭৬ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে এবং দিনে ৫-৬টি খেলে শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল জমা হয়ে যায়। যাদের উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে তাদের জন্য কোয়েল পাখির ডিম একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়াও কোয়েল পাখির ডিম বেশি খেলে রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমা হয়ে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

কোয়েল পাখির ডিম অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে দ্রুত। যাদের ডিমে অ্যালার্জি আছে তাদের জন্য কোয়েল পাখির ডিমও ক্ষতিকর এবং মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। কোয়েল পাখির ডিমে থাকা প্রোটিন শরীরে অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে এবং শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে কার্যকরভাবে। শিশুদের ক্ষেত্রে অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকে কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি এবং সহজেই আক্রান্ত হয়। তাই প্রথমবার কোয়েল পাখির ডিম খাওয়ার সময় অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখতে হবে কোনো সমস্যা হয় কিনা।

কোয়েলের ডিমে কত কোলেস্টেরল থাকে

আমরা অনেকেই জানি না যে কোয়েল পাখির ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশ বেশি থাকে। একটি ছোট্ট কোয়েল ডিমে প্রায় ৭৬ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে, যা মুরগির ডিমের তুলনায় অনেকটাই বেশি। আমরা যদি প্রতিদিন ৫-৬টা কোয়েল ডিম খাই, তাহলে আমাদের শরীরে প্রায় ৩৮০-৪৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল যুক্ত হয়ে যায়। এটি আমাদের দৈনিক সর্বোচ্চ কোলেস্টেরল গ্রহণের পরিমাণের অনেকটাই কাছাকাছি। এই জন্য অতিরিক্ত কোয়েল এর ডিম খাওয়া আমাদের জন্য ক্ষতিকর।
যাদের আগে থেকেই হাই কোলেস্টেরল বা হার্টের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি বিপজ্জনক হতে পারে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল আমাদের রক্তনালীতে জমা হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আমরা যদি নিয়মিত অতিরিক্ত কোয়েল ডিম খাই এবং সাথে অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবারও খাই, তাহলে আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে। তাই যাদের কোলেস্টেরল সমস্যা আছে, তাদের কোয়েল ডিম খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কোয়েল ডিম খেলে কি অ্যালার্জিক হয়

আমরা হয়তো অনেকেই জানি না কোয়েল পাখির ডিমে অ্যালার্জির ঝুঁকি রয়েছে। এইটি আমাদের শরীর এর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যাদের মুরগির ডিমে অ্যালার্জি আছে তাদের ক্ষেত্রে। কোয়েল ডিমে থাকা প্রোটিন অনেকের শরীরে অ্যালার্জিক তৈরি করতে পারে। অ্যালার্জির জন্য যেসকল লক্ষণগুলো হতে পারে তা হলো ত্বকে লাল দাগ, চুলকানি, ফুসকুড়ি, পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়া। কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক জানার মাধ্যমে আপনারা অনেক সহজেই সতর্ক থাকতে পারবেন।

কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিস নামক একটি জীবনঘাতী অবস্থাও হতে পারে। আমরা যদি প্রথমবার কোয়েল ডিম খাওয়ার পর কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখি, তাহলে সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকতে হবে কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। প্রথমবার কোয়েল ডিম দেওয়ার সময় খুব অল্প পরিমাণে দিয়ে দেখতে হবে কোনো প্রতিক্রিয়া হয় কিনা।

কোয়েল পাখির ডিম খেলে কিডনির ক্ষতি কতটা

কোয়েল পাখির ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই অতিরিক্ত প্রোটিন ক্ষতিকর হতে পারে। আমাদের কিডনি প্রোটিন ভাঙতে এবং বর্জ্য পদার্থ বের করতে কঠোর পরিশ্রম করে। যখন আমরা অতিরিক্ত প্রোটিন খাই, তখন কিডনির উপর চাপ বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
কোয়েল-পাখির-ডিমের-ক্ষতিকর-দিক-সম্পর্কে-জেনে-নিন
আমরা যদি প্রতিদিন অনেক বেশি কোয়েল ডিম খাই এবং সাথে অন্যান্য উচ্চ প্রোটিন খাবারও খাই, তাহলে শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এতে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যাদের ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, কিডনি স্টোন বা অন্য কোনো কিডনি সমস্যা আছে, তাদের কোয়েল ডিম খাওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস রোগী কোয়েল ডিম খেতে পারবে কি

কোয়েল ডিম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। যদিও কোয়েল ডিমে কার্বোহাইড্রেট কম থাকে, কিন্তু এতে থাকা উচ্চ কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমস্যা হতে পারে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ডায়াবেটিস রোগীদের হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। কোয়েলের ডিমের উচ্চ কোলেস্টেরল এই ঝুঁকি আরও বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে। এই জন্য আমাদের যানা প্রয়োজন কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক।
আপনারা যদি ডায়াবেটিস রোগী হয়ে থাকেন এবং নিয়মিত অনেক কোয়েল ডিম খাই, তাহলে এটি আমাদের রক্তনালীতে প্লাক জমা করতে পারে। এতে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয় এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে। তাছাড়া, কোয়েল ডিম রান্না করার সময় যদি অতিরিক্ত তেল বা মসলা ব্যবহার করা হয়, তাহলে এটি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আরও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের উচিত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২-৩ বার কোয়েল ডিম খাওয়া এবং সেটাও সেদ্ধ করে খাওয়া। ভাজা বা অতিরিক্ত তেলে রান্না করা কোয়েল ডিম এড়িয়ে চলা ভালো।

কোয়েলের ডিম খেলে কি হজমে সমস্যা হয়

কোয়েল পাখির ডিম আমাদের অনেকের জন্য হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। আমরা যদি অতিরিক্ত কোয়েল ডিম খাই, তাহলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, বদহজম এবং পেট ব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে যাদের পাচনতন্ত্র দুর্বল বা যাদের হজমে সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। কোয়েল ডিমে থাকা প্রোটিন এবং ফ্যাট হজম হতে সময় নেয় এবং কিছু মানুষের পাচনতন্ত্র এটি সহজে প্রসেস করতে পারে না।

আমরা যদি রাতে কোয়েল ডিম খাই, তাহলে হজমে আরও সমস্যা হতে পারে কারণ রাতে আমাদের পাচনতন্ত্র ধীরে কাজ করে। কোয়েল ডিম খাওয়ার পর অনেকের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে। যদি কোয়েল ডিম ভালোভাবে না ধোয়া হয় বা সংরক্ষণ সঠিক না হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে ফুড পয়জনিংও হতে পারে। এতে বমি, পেট খারাপ এবং জ্বর হতে পারে। তাই আমরা সবসময় তাজা এবং পরিষ্কার কোয়েল ডিম কিনবো এবং ভালোভাবে রান্না করে খাবার চেষ্টা করবো।

কোয়েলের ডিম কি ওজন বৃদ্ধির করে

আপনারা যদি ওজন কমানোর জন্য কোয়েল এর ডিম খেয়ে থাকেন তাহলে এটি আপনাদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। কোয়েল পাখির ডিম ছোট হলেও এতে ক্যালোরি এবং ফ্যাটের পরিমাণ বেশ ভালো পরিমাণে থাকে। একটি কোয়েল ডিমে প্রায় ১৪-১৫ ক্যালোরি থাকে। আমরা যদি একবারে ৫-৬টা কোয়েল ডিম খাই, তাহলে প্রায় ৭০-৯০ ক্যালোরি পেয়ে যাই শুধুমাত্র ডিম থেকে। এর সাথে যদি তেলে ভেজে খাই, তাহলে ক্যালোরি আরও বেড়ে যায়। কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক সহজেই ওজন বৃদ্ধি হওয়া থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

নিয়মিত অতিরিক্ত কোয়েল ডিম খেলে এবং পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করলে আমাদের শরীরে ফ্যাট জমা হতে শুরু করে। বিশেষ করে পেটে এবং কোমরে চর্বি জমে। আমরা যদি প্রতিদিন ১০ টার বেশি কোয়েল পাখির ডিম খেয়ে থাকি তাহলে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর হতে পারে। এই অতিরিক্ত ক্যালোরি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে ওজন বাড়বেই। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের উচিত সপ্তাহে ২-৩ দিন এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩-৪টার বেশি কোয়েল ডিম না খাওয়া।

কোয়েলের ডিম খেলে কি রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়

কোয়েল ডিম রান্না করার পদ্ধতি এবং এর প্রাকৃতিক উপাদান উভয়ই আমাদের শরীরে রক্তচাপ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। আমরা যদি কোয়েল ডিম অতিরিক্ত লবণ দিয়ে বা ভেজে খাই, তাহলে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম আমাদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। যাদের আগে থেকেই হাই ব্লাড প্রেশার আছে, তাদের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর হতে পারে।
এছাড়াও কোয়েল ডিমের উচ্চ কোলেস্টেরল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তনালীতে প্লাক জমা করে রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এতে হার্ট রক্ত পাম্প করতে বেশি চাপ নিতে হয় এবং ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। আমরা যদি নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে কোয়েল ডিম খাই এবং সাথে ব্যায়াম না করি, তাহলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের কারণ হতে পারে। তাই হাইপারটেনশনের রোগীদের উচিত কোয়েল ডিম সীমিত পরিমাণে খাওয়া এবং সেদ্ধ করে বা কম তেলে রান্না করে খাওয়া।

কোয়েলের ডিম খেলে কি লিভারের সমস্যা হয়

কোয়েল ডিমের অতিরিক্ত খেলে আমাদের লিভারের উপর অতিরিক্ত চাপ বাড়াতে পারে। লিভার আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল প্রসেস করে। আমরা যখন প্রচুর পরিমাণে কোয়েল ডিম খাই, তখন লিভারকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট প্রসেস করতে হয়। যাদের আগে থেকেই ফ্যাটি লিভার বা অন্য কোনো লিভার সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি আরও বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
কোয়েলের-ডিম-খেলে-কি-লিভারের-সমস্যা-হয়
দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত কোয়েল ডিম খেলে লিভারে ফ্যাট জমা হতে শুরু করে যা আমাদের লিভারের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আমরা যদি নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন এবং ফ্যাট গ্রহণ করি, তাহলে লিভার এনজাইমের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা লিভারের ক্ষতির লক্ষণ। লিভারের সমস্যা হলে আমাদের শরীরে টক্সিন জমা হয়, হজমে সমস্যা হয় এবং ক্লান্তি বোধ হয়। তাই যাদের লিভারের কোনো সমস্যা আছে, তাদের কোয়েল ডিম খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

লেখকের শেষ কথা

যাদের কোলেস্টেরল, হার্ট, কিডনি, লিভার বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা আছে, তাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কোয়েল ডিম খাওয়া উচিত। আপনারা সবসময় তাজা ডিম কিনার চেষ্টা করবেন এবং রান্না করার ক্ষেত্রে ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করবেন। আপনারা কাঁচা বা ভাজা ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলবেন কারণ এইগুলো না খাওয়াই আমাদের জন্য ভালো তবে অল্প তেল দিয়ে ডিম ভেজে খেতে পারেন। আমাদের অবশ্যই কোয়েল পাখির ডিম খাবার সময় এর ক্ষতি গুলো মাথায় রেখে খেতে হবে।

প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এ পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে কোয়েল পাখির ডিমের ক্ষতিকর দিক, কোয়েলের ডিমে কত কোলেস্টেরল থাকে, কোয়েল ডিম খেলে কি অ্যালার্জিক হয়, কোয়েল পাখির ডিম খেলে কিডনির ক্ষতি কতটা, ডায়াবেটিস রোগী কোয়েল ডিম খেতে পারবে কি, কোয়েলের ডিম খেলে কি হজমে সমস্যা হয়, কোয়েলের ডিম কি ওজন বৃদ্ধির করে, কোয়েলের ডিম খেলে কি রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়, কোয়েলের ডিম খেলে কি লিভারের সমস্যা হয় ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url