অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম | ওমরাহ ভিসা ফি কত ২০২৬

IELTS ছাড়া ইউরোপের কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানতে চান অনেকেই কারণ পবিত্র ওমরাহ পালন করা আমাদের সবার স্বপ্ন এবং ইচ্ছা হয়ে থাকে।
অনলাইনে-ওমরাহ-ভিসা-আবেদন-করার-নিয়ম
বর্তমানে সৌদি আরব সরকার ওমরাহ ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া অনেক সহজ করে দিয়েছে এবং অনলাইনে ঘরে বসেই আবেদন করা যায় খুব সহজেই। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের সম্পূর্ণ নিয়ম।

পোস্ট সূচীপত্রঃ অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম অনেক সহজ যা আপনারা ঘরে বসেই করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমে আপনাকে সৌদি আরবের অফিসিয়াল ওমরাহ ভিসা ওয়েবসাইটে যেতে হবে যার ঠিকানা হচ্ছে visa.visitsaudi.com বা nusuk.sa এবং এখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। অ্যাকাউন্ট তৈরি করার সময় আপনার ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং একটি পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে।

এর পরের ধাপে আপনাদের কে লগইন করতে হবে এবং Umrah Visa বা ওমরাহ ভিসা অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং Apply for Umrah Visa সিলেক্ট করতে হবে। তৃতীয় ধাপে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করতে হবে যেমন নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, পাসপোর্ট নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয়। চতুর্থ ধাপে পাসপোর্টের স্ক্যান কপি এবং ছবি আপলোড করতে হবে যা নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এবং সাইজে হতে হবে।

পঞ্চম ধাপে ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট আপলোড করতে হবে এবং সব তথ্য যাচাই করে নিতে হবে ভুল আছে কিনা। ষষ্ঠ ধাপে ভিসার টাইপ সিলেক্ট করতে হবে অর্থাৎ কত দিনের ভিসা চান এবং সিঙ্গেল এন্ট্রি না মাল্টিপল এন্ট্রি তা বেছে নিতে হবে। সপ্তম ধাপে ভিসা ফি পেমেন্ট করতে হবে ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড দিয়ে এবং পেমেন্ট সফল হলে একটি কনফার্মেশন মেসেজ আসবে।

অষ্টম ধাপে আবেদন সাবমিট করার পর একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন যা সংরক্ষণ করে রাখতে হবে কারণ এই নম্বর দিয়ে ভিসার স্ট্যাটাস চেক করা যায়। নবম ধাপে ভিসা প্রসেসিং হবে এবং ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভিসা অনুমোদন হবে সাধারণত যদি সব কিছু ঠিক থাকে। দশম ধাপে ভিসা অনুমোদন হলে আপনার ইমেইলে ই-ভিসা পাঠানো হবে যা প্রিন্ট করে নিতে হবে এবং ভ্রমণের সময় সাথে রাখতে হবে।

ওমরাহ ভিসা কি এবং কেন প্রয়োজন

ওমরাহ ভিসা হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের ভিসা যা সৌদি আরব সরকার আমাদের পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য প্রদান করে থাকে। ওমরাহ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যা মক্কা শরীফে গিয়ে সম্পন্ন করতে হয় এবং এটি হজের মতোই তবে সারা বছর যেকোনো সময় করা যায়। ওমরাহ ভিসা ছাড়া কেউ সৌদি আরবে প্রবেশ করে ওমরাহ পালন করতে পারে না তাই এটি সবার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
বর্তমানে সৌদি আরব সরকার ওমরাহ ভিসা প্রক্রিয়া ডিজিটাল করে ফেলেছে এবং অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা চালু করেছে যার মাধ্যমে আপনারা অনেক সহজেই ওমরাহ করতে পারবেন। আগে যেখানে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা করতে অনেক টাকা খরচ হতো এবং সময় লাগতো সেখানে এখন কম খরচে এবং কম সময়ে নিজেই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং যোগ্যতার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানার আগে আপনাদের কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন তা জেনে নেওয়া খুবই জরুরি কারণ সঠিক ডকুমেন্ট ছাড়া আবেদন সম্পন্ন করা যায় না। প্রথমত, একটি পাসপোর্ট থাকতে হবে যার মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস বাকি আছে এবং পাসপোর্টে কমপক্ষে দুই পাতা খালি থাকতে হবে ভিসা স্ট্যাম্পের জন্য।

দ্বিতীয়ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন হবে যা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা এবং মাথার উপরে কিছু জায়গা থাকতে হবে। ছবিতে চশমা, টুপি বা অন্য কিছু পরা যাবে না তবে মহিলারা হিজাব পরতে পারবেন এবং মুখ স্পষ্ট দেখা যেতে হবে।

এর পরে আপনার একটি ইমেইল অ্যাড্রেস এবং মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে কারণ সব যোগাযোগ এবং ভিসার তথ্য এই মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকে। এর পরে ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড থাকতে হবে ভিসা ফি পেমেন্টের জন্য আপনার এটি না থাকলে আত্মীয় স্বজন বা পরিবারের অন্য কারো থাকলে ব্যবহার করতে পারেন। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে মাহরাম বা অভিভাবকের তথ্য প্রয়োজন হতে পারে তবে বর্তমানে ৪৫ বছরের উপরের মহিলারা একা যেতে পারেন।

আপনি যদি হোটেল বুকিং কনফার্মেশন এবং ফ্লাইট টিকেট কনফার্মেশন দিতে পারেন তাহলে আপনার জন্য আরও ভালো হতে পারে। এর পাশাপাশি ব্যাংক স্টেটমেন্ট থাকে প্রয়োজন যাতে দেখা যায় যে আপনি সৌদি আরবে থাকার খরচ বহন করতে পারবেন কিনা। এই সব কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখলে অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

ওমরাহ ভিসা আবেদনের জন্য কোন যোগ্যতা প্রয়োজন

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানার পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতা এবং শর্তাবলী সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি কারণ সব শর্ত পূরণ না করলে ভিসা পাওয়া যাবে না। প্রথমে আপনাকে মুসলিম হতে হবে কারণ ওমরাহ শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য এবং অমুসলিমরা মক্কা শরীফে প্রবেশ করতে পারে না। এর পরে আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে ওমরাহ পালনের জন্য।
ওমরাহ-ভিসা-আবেদনের-খরচ-কত-টাকা
আবেদন করার জন্য আপনার পাসপোর্টে কমপক্ষে ছয় মাসের মেয়াদ থাকতে হবে এবং আপনার উপরে কোনো ধরনের পুলিশ মামলা বা সৌদি আরবে নিষিদ্ধ থাকার কোন কারণ থাকলে আপনাকে ভিসা দেওয়া হবে না। এই জন্য আপনাদের কে এই সকল বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন জেনো আপনারা কোন সমস্যা ছারাই ওমরাহ ভিসা পেতে পারেন।

আপনারা যারা আগে ওমরাহ করেছেন তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর আবার ওমরাহ করার নিয়ম আছে এই জন্য আপনারা যদি আগে ওমরাহ করে থাকেন তাহলে সঠিক সময় তা জানা জরুরী। আপনারা যদি হজের সময় অর্থাৎ জিলহজ মাসে ওমরাহ করতে যেতে চান তাহলে আপনার জানা প্রয়োজন এই সময় ওমরাহ করার ভিসা দেওয়া হয় না এবং এই সময় শুধুমাত্র হজ ভিসা দেওয়া হয়। এই সব বিষয় জানা থাকলে আপনি সহজেই অনলাইনে ওমরাহ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে।

ওমরাহ ভিসা আবেদনের খরচ কত টাকা

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ভিসা ফি এবং পেমেন্ট পদ্ধতি জানা কারণ এটি ছাড়া আপনাদের ভিসা প্রসেস হবে না। ওমরাহ ভিসার ফি সাধারণত ৩০০ থেকে ৫০০ সৌদি রিয়াল হয়ে থাকে যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৭০০০ থেকে ১২০০০ টাকা হতে পারে। তবে এই ফি পরিবর্তন হতে পারে সৌদি সরকারের নীতি অনুযায়ী এবং ভিসার টাইপের উপর নির্ভর করে কিছুটা কম বেশি হতে পারে।

সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার ফি সাধারণত কম হয় এবং মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার ফি বেশি হয়। এছাড়াও ভিসা প্রসেসিং ফি, সার্ভিস চার্জ এবং অন্যান্য খরচ যোগ হতে পারে তাই মোট খরচ একটু বেশি হতে পারে। পেমেন্টের জন্য ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করা যায় এবং ভিসা, মাস্টারকার্ড ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনার যদি এইসব কার্ড থেকে থাকে তাহলে আপনি অনেক সহজেই ওমরাহ ভিসার জন্য পেমেন্ট করতে পারবেন।

তবে আপনারা মনে রাখবেন যে ভিসা ফি ফেরতযোগ্য নয় এবং আবেদন বাতিল হলেও টাকা ফেরত পাওয়া যায় না তাই সব তথ্য সঠিক দিয়ে আবেদন করা উচিত। এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে এজেন্সি বা ট্রাভেল কোম্পানি ব্যবহার করলে তাদের সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে দিতে হবে যা কয়েক হাজার টাকা বেশি হতে পারে। তাই নিজে অনলাইনে আবেদন করলে অনেক টাকা সাশ্রয় হয় এবং দ্রুত ভিসা পাওয়া যায়।

ওমরাহ ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে

ওমরাহ ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে এই বিষয়ে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সৌদি আরব সরকার খুবই দ্রুত ওমরাহ ভিসা প্রসেসিং করে থাকে যার মাধ্যমে আমরা কম সময়ের মধ্যে ভিসা পেতে পারি। মূলত এই সময়সীমা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে যেমন আবেদনের সংখ্যা এবং মৌসুম এর উপরে নির্ভর করে।

সাধারণত অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার পরে প্রায় ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভিসা অনুমোদন পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে যদি আপনার সকল ডকুমেন্টস সঠিক এবং সম্পূর্ণ থাকে তাহলে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হতে পারে। এই জন্য আপনারা নিজেদের সকল কাগজপত্র ঠিক রাখুন এবং সব জায়গায় সঠিক তথ্য দিন তাহলে সহজেই এবং কম সময়ে ভিসা পেয়ে যাবেন।
তবে রমজান মাস বা হজের সময়ে ওমরাহ ভিসা পেতে একটু বেশি সময় লাগতে পারে কারণ এই সময়ে আবেদনের সংখ্যা অনেক বেশি থাকে। এক্ষেত্রে ভিসা পেতে ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে যা একটি স্বাভাবিক বিষয়। তাই আপনার ওমরাহ যাত্রার অন্তত এক মাস আগে ভিসার জন্য আবেদন করে রাখুন যাতে সময়মতো ভিসা পাওয়া যায় এবং ওমরাহ করতে যেতে কোন সমস্যা না হয়।

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের সুবিধা

অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের সুবিধা সম্পর্কে জানা আমাদের সকলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমান সময়ে অনলাইন সিস্টেম চালু হওয়ার ফলে ওমরাহ ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া অনেক সহজ। মূলত এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই সকল কাজ সম্পন্ন করতে পারি যা আমাদের সময় এবং অর্থ উভয়ই সাধারণের তুলনায় কম লেগে থাকে।

সাধারণত অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কোনো অফিসে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। আর আপনি ঘরে বসে আপনার সুবিধামতো যেকোনো সময়ে আবেদন করতে পারেন । এছাড়াও অনলাইন সিস্টেমে আপনি আপনার আবেদনের স্ট্যাটাস যেকোনো সময় চেক করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনি সবসময় আপডেট থাকতে পারবেন।

এরপর অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে আপনি দ্রুত ওমরাহ ভিসা পেতে পারেন কারণ সিস্টেম অটোমেটিক ভাবে আপনার ডকুমেন্টস যাচাই করে থাকে। এক্ষেত্রে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে সিস্টেম আপনাকে জানিয়ে দেয় যা আপনি সংশোধন করে নিতে পারেন। তাই অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করা অনেক বেশি সহজ এবং নিরাপদ।

ওমরাহ ভিসা আবেদনের সময় যেসব ভুল হয়ে থাকে

ওমরাহ ভিসা আবেদনের সময় যে ভুলগুলো করা যাবে না তা সম্পর্কে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ওমরাহ ভিসা আবেদনের সময় বিভিন্ন ধরনের ভুল করে ফেলে যার কারণে তাদের আবেদন বাতিল হয়ে যায়। মূলত এই ভুলগুলো এড়ানোর মাধ্যমে আপনারা সহজেই ওমরাহ ভিসা পেতে পারবেন।

সাধারণত ওমরাহ ভিসা আবেদনের সময় সবচেয়ে বড় ভুল হচ্ছে পাসপোর্টের তথ্য ভুলভাবে দেওয়া। এক্ষেত্রে অনেকেই নামের বানান, পাসপোর্ট নম্বর বা জন্ম তারিখ ভুল লিখে ফেলেন যার কারণে আবেদন বাতিল হয়ে যায়। তাই ফরম পূরণের সময় অবশ্যই পাসপোর্ট দেখে দেখে সঠিক তথ্য প্রদান করুন এবং বারবার চেক করে নিন যাতে কোনো ভুল না হয়। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে তথ্য পরিবর্তন করা খুবই কঠিন এবং জটিল হয়ে যায়।

এছাড়াও আরেকটি সাধারণ ভুল হচ্ছে অস্পষ্ট বা নিম্নমানের ডকুমেন্ট আপলোড করা। এক্ষেত্রে অনেকেই মোবাইল ফোনে তোলা ঝাপসা ছবি আপলোড করেন যা গ্রহণযোগ্য না। তাই সব সময় পাসপোর্ট এবং ছবি স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করে ভালো ছবি আপলোড করুন যা পরিষ্কার এবং পড়া যায়। তাহলে আপনার ওমরাহ ভিসা আবেদন সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

ওমরাহ ভিসা বাতিল হওয়ার কারণ

ওমরাহ ভিসা বাতিল হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানা আমাদের সকলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ভুলের কারণে অনেকের ওমরাহ ভিসা বাতিল হয়ে যায় যার কারণে তারা ওমরাহ করতে যেতে পারে না। আপনারা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন থাকলে ভিসা বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারবেন।
ওমরাহ-ভিসা-বাতিল-হওয়ার-কারণ
সাধারণত ওমরাহ ভিসা বাতিল হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে ভুল তথ্য প্রদান করা বা ডকুমেন্টস জালিয়াতি করা। এক্ষেত্রে যদি আপনার দেওয়া তথ্যের সাথে পাসপোর্টের তথ্য মিলে না থাকে তাহলে সৌদি আরব আপনার ভিসা বাতিল করে দিতে পারে। এছাড়াও যদি আপনি কোনো নকল ডকুমেন্ট ব্যবহার করেন তাহলে শুধুমাত্র ভিসা বাতিল নয় বরং আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

এরপর ওমরাহ ভিসা বাতিল হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে পাসপোর্টের মেয়াদ কম থাকা। এক্ষেত্রে যদি আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ ছয় মাসের কম থাকে তাহলে আপনার ওমরাহ ভিসা অনুমোদিত হবে না বা পরবর্তীতে বাতিল হতে পারে। এছাড়াও যদি আপনি ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন তাহলে আপনার ভিসা বাতিল হওয়ার পাশাপাশি জরিমানা এবং ভবিষ্যতে ভিসা পেতে সমস্যা হতে পারে। তাই ওমরাহ ভিসার সকল নিয়ম কানুন সঠিকভাবে মেনে চলুন যাতে আপনি সঠিক ভাবে ওমরাহ ভিসা পেতে পারেন এবং সেখানে গিয়ে ঠিক ভাবে ওমরাহ করতে পারেন।

লেখকের শেষ কথা

বর্তমান সময়ে অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন অনেক সহজ হয়ে গেছে এবং আমরা ঘরে বসেই ওমরাহ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারি। তবে আবেদন এর সময় আমাদের খেয়াল রাখতে হবে জেনো আমরা সবসময় সঠিক তথ্য দিয়ে থাকি। যার ফলে আপনাদের আবেদন অনেক সহজেই সফল হয়ে যাবে এবং আপনি ওমরাহ করে আসতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এ পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদন করার নিয়ম, ওমরাহ ভিসা কি এবং কেন প্রয়োজন, অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ওমরাহ ভিসা আবেদনের জন্য কোন যোগ্যতা প্রয়োজন, ওমরাহ ভিসা আবেদনের খরচ কত টাকা, ওমরাহ ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে, অনলাইনে ওমরাহ ভিসা আবেদনের সুবিধা, ওমরাহ ভিসা আবেদনের সময় যেসব ভুল হয়ে থাকে, ওমরাহ ভিসা বাতিল হওয়ার কারণ ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url