দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
সকালে খালি পেটে কাঠ বাদাম খাওয়ার উপকারিতা
মাড়ি ফুলে যাওয়া ও ব্যথা করার পিছনে বিভিন্ন রোগের লক্ষণ থাকতে পারে তবে দাঁতের
মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় জানার মাধ্যমে আপনি অতি সহজেই
প্রাকৃতিকভাবে মাড়ির ব্যথার চিকিৎসা করতে পারবেন।
আজকে আর্টিকেলে আপনার জন্য থাকছে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য, আপনারা জানতে পারবেন মাড়ির ব্যাথা কিভাবে তৈরি হয়
এবং ঘরোয়া উপায়ে কিভাবে সেগুলো চিকিৎসা করবেন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
মাড়ি ফুলে যাওয়ার কারণ
দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়ার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে, তবে বেশিরভাগ সময় এটা
দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা থেকে হয়ে থাকে। এছাড়া অনেক সময় আমাদের হরমোন এবং
স্বাস্থ্যের উপরে নির্ভর করেও এ সমস্যাগুলো হয়ে থাকে। দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়ার
বিশেষ কিছু কারণ নিচে দেওয়া হল যেটি দেখার মাধ্যমে আপনারা সহজেই জানতে পারবেন
কোন কারনে দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা হয়।
- মাড়ির ভেতরে খাবার আটকে গেলে
- ফোড়া দাঁত হলে
- দাঁতের ক্ষয়
- মুখে গুরুতর সংক্রমণ হলে
- ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে
- দাঁতে বা দাঁতের শিকড়ে সংক্রমণ।
- দাঁতের শিকড় ভেঙে গেলে
- কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- ফাঙ্গাস বা ছত্রাক সংক্রমণ
- ভিটামিন বি কম থাকলে
- ভিটামিন সি-এর ঘাটতি
- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
- ধূমপান বা তামাক সেবন
- হরমোন পরিবর্তন
- লিউকেমিয়া মতো রক্তের ক্যান্সার
এ সকল কারণের জন্য দাঁত ব্যথা বা মারি ব্যথা হয়ে থাকে, তবে আপনারা দাঁতের
মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় জানার মাধ্যমে অতি সহজে এগুলো প্রতিকার
করতে পারবেন।
দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
আপনাদের মাড়ির বা দাঁতের ব্যথা কমানোর জন্য অনেকগুলো ঘরোয়া উপায় রয়েছে। আপনার
যদি মাড়িতে ব্যথা হয় তাহলে এই ঘরোয়া উপায় গুলো প্রয়োগ করে দেখতে পারেন
তবে এটি কোন চিকিৎসা নয় এই ঘরোয়া উপায় গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি কিছু
সময়ের জন্য সেই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। আপনার ব্যথা যদি অতিরিক্ত বেড়ে
যায় তাহলে একটি ডাক্তারের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া উত্তম।
- লবণ পানি আমাদের মাড়ির জন্য অনেক উপকারী, কারণ লবণ প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। লবণ পানিতে কুলি করার মাধ্যমে আমাদের দাঁতের ব্যথা এবং ফোলা কমাতে অনেকটাই সাহায্য করবে। এটি অনেক সহজ পদ্ধতি এবং অনেক কার্যকর লবণ পানি আমাদের মাড়ির ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে এবং মুখের ভিতরে থাকা সকল জীবাণু কমিয়ে ফেলে। সেরা ফলাফল পাওয়ার জন্য আপনি দিনে ৩ বার হালকা গরম পানির সাথে লবণ মিশিয়ে কুলি করতে পারেন।
- হলুদ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এবং আমাদের দাঁতের ব্যথা কমানোর জন্য অনেক কার্যকরী একটি উপাদান। হলুদ আমাদের দাঁতের মাড়ির ফোলা ভাব কমাতে পারে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া গুলো দূর করতে সাহায্য করে। দাঁতে বা মাড়িতে হলুদের ব্যবহার করার জন্য আপনি কাঁচা হলুদ নিতে পারেন অথবা গুড়া হলুদের ব্যবহারও করতে পারেন। এগুলোতে একটি পেস্ট বানিয়ে আপনার দাঁতে যে জায়গায় ব্যথা সে জায়গায় ১০ মিনিট লাগিয়ে অপেক্ষা করুন এবং পরে ধুয়ে ফেলুন।
- বেকিং সোডা দিয়ে কুলি করার মাধ্যমে আমরা মুখে সকল ব্যাকটেরিয়া গুলো দূর করতে পারবো এবং দাঁতের মাড়ির ব্যথা কমাতেও অনেকটা সাহায্য করে। এটি ব্যবহার করা অনেক সহজ, এক গ্লাস পানির মধ্যে আধা চা চামচ বেকিং সোডা মিশাতে হবে আপনি চাইলে এর মধ্যে হালকা লবন মিশাতে পারেন। তারপরে মিশ্রণটি দিয়ে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড কুলি করতে হবে, সেরা ফলাফল পাওয়ার জন্য দিনে ২ থেকে ৩ বার এই মিশ্রণটি দিয়ে কুলি করুন।
- রসুনের মধ্যে বিভিন্ন উপকারী উপাদান রয়েছে যেগুলো আমাদের মুখের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক দূর করতে অনেক সাহায্য করতে পারে এবং দাঁতের মাড়ির ব্যথা দ্রুত কমাতে সক্ষম। আপনি যদি আপনার মাড়ির ব্যথা দ্রুত কমাতে চান সে ক্ষেত্রে রসুনের পেস্ট বানিয়ে দাঁতের ব্যবহার করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ সর্দি কাশি হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত
- রসুনের পেস্ট বানানোর জন্য কয়েকটি রসুনের কোয়া বেটে নিন এবং তার সাথে ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য একটু লবণ মেশাতে পারেন। তারপরে আপনার মাড়ির যে স্থানে ব্যথা সেখানে ৫ মিনিটের জন্য লাগিয়ে রাখুন। সময় হয়ে গেলে পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন, সেরা ফলাফল পাওয়ার জন্য দিনে ১ থেকে ২ বার পেস্টটি ব্যবহার করুন। যার মাধ্যমে আপনারা অতি সহজেই দাঁতের মাড়ির ব্যথা কমাতে পারবেন।
- লবঙ্গ আমাদের দাঁত ও মাড়ির জন্য অনেক উপকারী। এতে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক উপাদান রয়েছে যেগুলো আমাদের দাঁতের মাড়ির ব্যথা কমাতে অনেকটা সাহায্য করে। একটি লবঙ্গ ব্যথার জায়গায় রেখে আস্তে আস্তে চিবাতে পারেন। অথবা লবঙ্গের তেল তুলোয় নিয়ে মাড়িতে লাগান। লবঙ্গের তেল পাওয়া না গেলে, দুই-তিনটি লবঙ্গ পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। দিনে দুইবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার দাঁতের ব্যথা অতি সহজেই কমাতে পারবেন।
- অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে। দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর জন্য তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে সরাসরি মাড়িতে লাগাতে পারেন। দশ মিনিট রেখে পানি দিয়ে কুলি করুন, এটি মাড়ির ফোলা কমায় এবং ক্ষতস্থান দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। দিনে দুইবার নিয়মিত ব্যবহার করলে মাড়ি শক্ত ও সুস্থ হয়। অ্যালোভেরা জেল বাজার থেকে কিনতে পারলেও তাজা পাতা থেকে পাওয়া জেল বেশি উপকারী।
- আদার মধ্যে মাড়ির ফোলাভাব কমানোর উপাদান রয়েছে যেগুলো মাড়ির ফোলাভাব কমাতে অনেকটা সাহায্য করতে পারে। তাজা আদা বেটে রস বের করুন, এই রস তুলোয় নিয়ে মাড়িতে লাগান। এটি ব্যথা কমাতে ও ফোলা দূর করতে সেরা। আদা চা পানীও উপকারী, আদা ফুটিয়ে সেই পানি ঠান্ডা করে কুলি করতে পারেন। এটি মুখের ভেতরের সংক্রমণও কমায়।
- পেয়ারা পাতায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ রয়েছে। কয়েকটি তাজা পেয়ারা পাতা ধুয়ে চিবাতে পারেন। অথবা পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি ঠান্ডা করে কুলি করুন। পেয়ারা পাতা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে মাড়ি মজবুত হয়।
- পুদিনা পাতায় ব্যাকটেরিয়ারোধী গুণ রয়েছে। তাজা পুদিনা পাতা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে কুলি করুন। এটি মাড়ির ফোলাভাব এবং ব্যথা কমায় এবং মুখে সতেজতা আনে। পুদিনা পাতা বেটে পেস্ট বানিয়ে মাড়িতে লাগাতেও পারেন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়া খাওয়ার পরে নিয়মিত ব্রাশ করার মাধ্যমে আপনি দাঁতের সকল সমস্যা
প্রতিরোধ বা কমাতে পারবেন। বিশেষ করে সকালে খাওয়ার আগে এবং রাত্রে খাওয়ার পরে
ব্রাশ করা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
মাড়ির ব্যথা কি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়
অনেকের মনের প্রশ্ন থাকতে পারে যে দাঁতের মাড়ির ব্যাথা কি নিজে থেকে ভালো হয়ে
যায়? এটার উত্তর এক কথায় যাওয়া কঠিন কেননা ব্যথার কারণ অনুযায়ী মাড়ির
ব্যথা নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যেতে পারে অথবা চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
আপনার মাড়ির যদি এলার্জি কিংবা ঠিকমতো ব্রাশ না করার কারণে মাড়িতে হালকা ক্ষত
হয় তাহলে এগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই নিজে থেকে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু এর বাইরে
মাড়ির ব্যথা বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হতে পারে যেগুলো রেখে দিলে আরও খারাপের দিকে
যেতে পারে।
মাড়ির রোগ যদি বাড়তে থাকে, তাহলে সেটা শুধু মাড়িতে সীমিত থাকে না। ধীরে ধীরে
চোয়ালের হাড়েও ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা আরও বেশি ব্যথা, ফোলাভাব, এমনকি দাঁত
নড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও তৈরি করতে পারে। দাঁতের মাড়ির রোগ শুধুমাত্র মুখে
সীমিত থাকে না এর জন্য আমাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে যেমনঃ
- হৃদরোগ
- ডায়াবেটিস
- আলঝাইমার
- কিছু ধরনের ক্যান্সার
- শ্বাসজনিত সমস্যা
এজন্য আপনার দাঁতে বা মাড়ির ফোলাভাব, রক্তপাত, পুঁজ যদি দুই তিন দিনের বেশি
থাকে তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং চিকিৎসা
প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসা করা উচিত।
মাড়ির ব্যথার জন্য কখন দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাবেন
যদি আপনার মাড়ির ব্যথা ২–৩ দিনেও না কমে, বরং বাড়তে থাকে, তাহলে দেরি না করে
দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত। তাছাড়াও এর পাশাপাশি
দাঁতের মাড়ির ব্যথার এ সকল লক্ষণ দেখা গেলে অবশ্যই চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
- বারবার রক্তপাত হওয়া
- মাড়ি ফোলা বা লাল হয়ে যাওয়া
- মাড়ি নিচে নেমে যাওয়া
- চিবানোর সময় ব্যথা
- দাঁত আলগা লাগা
- হঠাৎ করে দাঁতে সংবেদনশীলতা বেড়ে যাওয়া
আরো পড়ুনঃ দ্রুত পেটের গ্যাস কমানোর উপায়
এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি যদি মাড়ির ব্যথার সাথে থাকে, এবং বিশেষ করে ৩–৭ দিন
ধরে না ঠিক হয়, তাহলে আর দেরি না করে আপনার দ্রুত একটি ডেন্টিস্টের কাছে
যাওয়া উচিত। কারণ মাড়ির ব্যথা অবহেলা করলে আমরা আরও জটিল সমস্যায় পড়তে
পারি।
দাঁত পরিষ্কারের সঠিক নিয়ম
আমরা অনেকেই সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার করে না এবং সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার
কারণে বেশিরভাগ সময় দাঁত ও মাড়ির ব্যথা তৈরি হয়। দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা
কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলোর মধ্যে দাঁত পরিষ্কার রাখার নিয়মগুলো মেনে চলা অনেক
গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়মগুলো মেনে চলার মাধ্যমে আপনারা সহজেই আপনার দাঁতকে সকল
ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করতে পারবেন।
- সকাল ও রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন, যাতে মাড়িতে চাপ না পড়ে। সাধারণ গতিতে, গোল গোল করে ব্রাশ করুন মাড়িতে হালকা মালিশের মতো। জোরে ঘষা কখনোই ভালো নয়, এতে মাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে।
- খাওয়ার পর পানি দিয়ে ভালোভাবে কুলি করার একটি ভালো অভ্যাস গোড়ে তুলুন, এর মাধ্যমে খাবারের ছোট ছোট কণা ধুয়ে যায়, ব্যাকটেরিয়া জমা কমে এবং মুখের দুর্গন্ধও দূর করতে সাহায্য করে।
- টাং স্ক্র্যাপার বা ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে জিভ পরিষ্কার করুন। কারণ জিভে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া মুখের দুর্গন্ধের প্রধান কারণ। আমাদের মুখকে সুস্থ রাখার জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
- ব্রাশের ব্রিস্টল নরম হয়ে গেলে বা ছড়িয়ে গেলে দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। এজন্য সময়মতো ব্রাশ বদলানো জরুরি যার মাধ্যমে আমরা দাঁত সঠিকভাবে পরিষ্কার করতে পারি।
লেখকের শেষ কথা
মাড়ির সমস্যা খুবই সাধারণ কিন্তু অবহেলা করলে আমাদের দাঁতের সাথে শরীরের ও
বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে। উপরে দেওয়া ঘরোয়া উপায়গুলো নিয়মিত মেনে চলার
মাধ্যমে আপনারা অনেক সহজেই মাড়ি সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে পারবেন। তবে মনে
রাখবেন, এগুলো প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে কাজ করে। গুরুতর সমস্যার জন্য দাঁতের
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার, সঠিক খাবার এবং মুখের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল থাকলে
মাড়ির সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে দাঁতের
মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এ পোস্টটি
সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে
পারে মাড়ি ফুলে যাওয়ার কারণ, দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়,
মাড়ির ব্যথা কি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়, মাড়ির ব্যথার জন্য কখন দাঁতের
ডাক্তারের কাছে যাবেন, দাঁত পরিষ্কারের সঠিক নিয়ম ইত্যাদি।



টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url