অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি
প্রফেশনাল ই-কমার্স বিজনেস শুরু করার সঠিক উপায়
অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি সেটা নিয়ে অনেক লেখকই দ্বিধায়
থাকেন কারণ বিকল্প অনেক আছে কিন্তু কোনটি বেছে নিলে সবচেয়ে বেশি পাঠকের কাছে
পৌঁছানো যাবে এবং সবচেয়ে ভালো রয়্যালটি পাওয়া যাবে সেটা বোঝা কঠিন।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে জানব অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য কোন প্ল্যাটফর্মগুলো সবচেয়ে ভালো, কোথায় রয়্যালটি বেশি পাওয়া যায় এবং বাংলাদেশ থেকে একজন লেখক কীভাবে আন্তর্জাতিক মানের বই প্রকাশ করতে পারেন।
পেজ সূচিপত্রঃ অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি
- অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি
- একসাথে অনেক স্টোরে বই পাঠানোর মাধ্যম
- সহজ ইন্টারফেসে বই প্রকাশ করার নিয়ম
- বাংলাদেশ থেকে বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি
- iOS ব্যবহারকারীদের কাছে বই পৌঁছানোর উপয়া
- সরাসরি পাঠকের কাছে বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম
- বাংলায় বই প্রকাশের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো
- অনলাইনে বই প্রকাশে সফল হওয়ার কার্যকর টিপস
- লেখকের শেষ কথা
অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি
অনলাইনে বই প্রকাশের আগে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো আপনার বইটি কোন ভাষায় লেখা,
কোন ধরনের পাঠকদের জন্য এবং আপনি কি শুধু ই-বুক হিসেবে নাকি প্রিন্ট অন ডিমান্ড
হিসেবেও প্রকাশ করতে চান সেটা আগে থেকেই ঠিক করে নেওয়া দরকার। বিভিন্ন
প্ল্যাটফর্মের রয়্যালটি কাঠামো, পাঠক সংখ্যা, পেমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশ
থেকে ব্যবহারের সুবিধা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় নিজের প্রয়োজন বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে
সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।
আমার একজন পরিচিত লেখক বন্ধু আছেন যিনি দীর্ঘদিন প্রকাশকের দরজায় দরজায় ঘুরে ক্লান্ত হয়ে শেষমেশ Amazon KDP তে নিজের বই প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রথম মাসেই পাঁচ হাজার টাকার বেশি রয়্যালটি পেয়েছিলেন যা কোনো প্রকাশকের মাধ্যমে তিনি পেতেন না। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝেছিলাম যে অনলাইনে বই প্রকাশের সুযোগ লেখকদের জন্য কতটা বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে কারণ এখন একজন লেখক নিজেই প্রকাশক হতে পারেন।
সেলফ পাবলিশিং বা নিজে বই প্রকাশ করার সুবিধা হলো আপনি বইয়ের সমস্ত অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারেন, দাম নিজে ঠিক করতে পারেন এবং প্রতিটি বিক্রয় থেকে ৩৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত রয়্যালটি পাওয়া যায় যা প্রচলিত প্রকাশনায় সাধারণত ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি হয় না। তাই অনলাইনে বই প্রকাশের বিষয়ে আজই সিদ্ধান্ত নিন এবং সঠিক প্ল্যাটফর্ম বেছে নিয়ে লেখক হিসেবে আপনার স্বপ্ন পূরণ করুন।
আমার একজন পরিচিত লেখক বন্ধু আছেন যিনি দীর্ঘদিন প্রকাশকের দরজায় দরজায় ঘুরে ক্লান্ত হয়ে শেষমেশ Amazon KDP তে নিজের বই প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রথম মাসেই পাঁচ হাজার টাকার বেশি রয়্যালটি পেয়েছিলেন যা কোনো প্রকাশকের মাধ্যমে তিনি পেতেন না। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝেছিলাম যে অনলাইনে বই প্রকাশের সুযোগ লেখকদের জন্য কতটা বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে কারণ এখন একজন লেখক নিজেই প্রকাশক হতে পারেন।
সেলফ পাবলিশিং বা নিজে বই প্রকাশ করার সুবিধা হলো আপনি বইয়ের সমস্ত অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারেন, দাম নিজে ঠিক করতে পারেন এবং প্রতিটি বিক্রয় থেকে ৩৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত রয়্যালটি পাওয়া যায় যা প্রচলিত প্রকাশনায় সাধারণত ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি হয় না। তাই অনলাইনে বই প্রকাশের বিষয়ে আজই সিদ্ধান্ত নিন এবং সঠিক প্ল্যাটফর্ম বেছে নিয়ে লেখক হিসেবে আপনার স্বপ্ন পূরণ করুন।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি
Amazon KDP বা Kindle Direct Publishing বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয়
অনলাইন বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের লেখক
বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলে ই-বুক এবং পেপারব্যাক বই প্রকাশ করতে পারেন।
Amazon এ ই-বুক হিসেবে প্রকাশ করলে ২.৯৯ থেকে ৯.৯৯ ডলার মূল্যমানের বইয়ে
৭০ শতাংশ রয়্যালটি পাওয়া যায় যা অন্যান্য প্রকাশনা পদ্ধতির তুলনায় অনেক
বেশি এবং বিশ্বের ১৮৫টি দেশের কোটি কোটি পাঠকের কাছে একসাথে পৌঁছানো সম্ভব
হয়।
আরো পড়ুনঃ
গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার সেরা ৯টি উপায়
KDP তে বই প্রকাশ করতে হলে PDF বা Word ফরম্যাটে বইয়ের পাণ্ডুলিপি এবং
একটি আকর্ষণীয় কভার ডিজাইন লাগে এবং কভার তৈরিতে Canva বা KDP এর নিজস্ব
কভার ক্রিয়েটর ব্যবহার করা যায়। বই আপলোড করার পর সাধারণত ২৪ থেকে ৭২
ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশিত হয়ে যায় এবং তারপর থেকে বিক্রয় শুরু হলে প্রতি
মাসে রয়্যালটি পেমেন্ট পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ থেকে KDP তে পেমেন্ট নিতে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যায় এবং সেখান থেকে সহজেই বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা সম্ভব। KDP Select প্রোগ্রামে যোগ দিলে Kindle Unlimited এর মাধ্যমে পড়া পৃষ্ঠার সংখ্যা অনুযায়ী আলাদা আয় পাওয়া যায় এবং প্রমোশনাল ফ্রি ডে-র সুবিধা নেওয়া সম্ভব যা বইয়ের র্যাংকিং বাড়াতে অনেক সাহায্য করে।
বাংলাদেশ থেকে KDP তে পেমেন্ট নিতে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যায় এবং সেখান থেকে সহজেই বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা সম্ভব। KDP Select প্রোগ্রামে যোগ দিলে Kindle Unlimited এর মাধ্যমে পড়া পৃষ্ঠার সংখ্যা অনুযায়ী আলাদা আয় পাওয়া যায় এবং প্রমোশনাল ফ্রি ডে-র সুবিধা নেওয়া সম্ভব যা বইয়ের র্যাংকিং বাড়াতে অনেক সাহায্য করে।
একসাথে অনেক স্টোরে বই পাঠানোর মাধ্যম
Smashwords এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেটি একবারে বই আপলোড করলেই Barnes
& Noble, Kobo, Apple Books, OverDrive এবং আরো অনেক ই-বুক স্টোরে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিতরণ করে দেয় এবং এই একটি জায়গা থেকেই সব স্টোরের
রয়্যালটি ও বিক্রয় তথ্য একসাথে দেখা যায়। Smashwords এ প্রকাশিত
বইয়ে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত রয়্যালটি পাওয়া যায় এবং বিনামূল্যে
বই প্রকাশ করা সম্ভব।
Smashwords এ বই প্রকাশ করতে হলে তাদের নিজস্ব ফরম্যাটিং গাইড অনুসরণ করে Word ফরম্যাটে পাণ্ডুলিপি জমা দিতে হয় এবং এই গাইড অনুসরণ না করলে বিভিন্ন ডিভাইসে বইটি সঠিকভাবে দেখাবে না। বিভিন্ন স্টোরে একই বই আলাদা আলাদাভাবে আপলোড করার ঝামেলা না থাকায় অনেক লেখক Smashwords কে তাদের প্রধান বিতরণ পথ হিসেবে ব্যবহার করেন।
Smashwords থেকে পেমেন্ট PayPal এর মাধ্যমে নেওয়া যায় এবং বাংলাদেশ থেকে পেওনিয়ার বা অন্য মাধ্যমে টাকা তুলতে কিছুটা ঝামেলা হলেও নিয়মিত বিক্রি হলে সেটা সমাধানযোগ্য। এই প্ল্যাটফর্মে ইংরেজি ভাষার বইয়ের সুযোগ বেশি তবে যেকোনো ভাষায় বই প্রকাশ করা সম্ভব।
Smashwords এ বই প্রকাশ করতে হলে তাদের নিজস্ব ফরম্যাটিং গাইড অনুসরণ করে Word ফরম্যাটে পাণ্ডুলিপি জমা দিতে হয় এবং এই গাইড অনুসরণ না করলে বিভিন্ন ডিভাইসে বইটি সঠিকভাবে দেখাবে না। বিভিন্ন স্টোরে একই বই আলাদা আলাদাভাবে আপলোড করার ঝামেলা না থাকায় অনেক লেখক Smashwords কে তাদের প্রধান বিতরণ পথ হিসেবে ব্যবহার করেন।
Smashwords থেকে পেমেন্ট PayPal এর মাধ্যমে নেওয়া যায় এবং বাংলাদেশ থেকে পেওনিয়ার বা অন্য মাধ্যমে টাকা তুলতে কিছুটা ঝামেলা হলেও নিয়মিত বিক্রি হলে সেটা সমাধানযোগ্য। এই প্ল্যাটফর্মে ইংরেজি ভাষার বইয়ের সুযোগ বেশি তবে যেকোনো ভাষায় বই প্রকাশ করা সম্ভব।
সহজ ইন্টারফেসে বই প্রকাশ করার নিয়ম
Draft2Digital বা D2D সেলফ পাবলিশিং জগতে অনেক জনপ্রিয় কারণ এর ইন্টারফেস অত্যন্ত সহজ ও ব্যবহারবান্ধব এবং সাধারণ Word ডকুমেন্ট থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ePub, Mobi ও PDF ফরম্যাটে রূপান্তর করে দেয় যা নতুন লেখকদের জন্য অনেক সুবিধাজনক। D2D ও Smashwords এর মতো বহু স্টোরে একসাথে বই বিতরণ করে এবং Amazon ছাড়া প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মে বই পাঠানো সম্ভব।
D2D তে বই প্রকাশ করলে প্রতিটি বিক্রয়ে ১০ শতাংশ কমিশন কেটে বাকি টাকা লেখককে দেওয়া হয় এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে পেমেন্ট প্রদান করা হয়। Smashwords ২০২২ সালে D2D এর সাথে একীভূত হয়েছে বলে এই দুটি প্ল্যাটফর্মের সেবা এখন একত্রিত হয়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের জানা প্রয়োজন অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি।
D2D ব্যবহারকারীরা বিক্রয় তথ্য, পাঠকের পরিসংখ্যান এবং রয়্যালটির হিসাব অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে দেখতে পান এবং যেকোনো সময় বইয়ের দাম বা বিষয়বস্তু পরিবর্তন করা সম্ভব। বাংলাদেশের লেখকদের জন্য D2D একটি ভালো বিকল্প কারণ এখানে পেওনিয়ার বা অন্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।
বাংলাদেশ থেকে বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি
Kobo Writing Life বা KWL কানাডার বিখ্যাত ই-বুক কোম্পানি Kobo
র সেলফ পাবলিশিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিশ্বের যেকোনো লেখক
বিনামূল্যে বই প্রকাশ করতে পারেন এবং বিশেষত ইউরোপ, কানাডা ও
অস্ট্রেলিয়ায় Kobo-র ব্যাপক পাঠক থাকায় এই অঞ্চলের পাঠকদের
কাছে পৌঁছানো অনেক সহজ হয়। Kobo-তে ৩ থেকে ১২ ডলার মূল্যমানের
বইয়ে ৭০ শতাংশ রয়্যালটি পাওয়া যায় যা Amazon এর সমান এবং
১২ ডলারের বেশি মূল্যে ৪৫ শতাংশ রয়্যালটি পাওয়া যায়।
Kobo তে বই প্রকাশ করা Amazon এর মতোই সহজ, ePub ফরম্যাটে বই এবং একটি সুন্দর কভার আপলোড করলেই কিছুদিনের মধ্যে প্রকাশিত হয়ে যায়। Kobo Plus প্রোগ্রামেও যোগ দেওয়া সম্ভব যেখানে সাবস্ক্রিপশন পাঠকদের পড়া পৃষ্ঠা অনুযায়ী আলাদা আয় পাওয়া যায়।
বাংলাদেশি লেখকদের জন্য Kobo একটি চমৎকার বিকল্প কারণ Kobo র ওয়েবসাইটে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার বা PayPal এর মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া যায়। Amazon এ একাধিপত্য না দিয়ে Kobo তেও একই বই রাখলে পাঠকের সংখ্যা বাড়ে এবং আয়ের উৎস বৈচিত্র্যময় হয়। অনলাইনে ভর বিক্রি করার মাধ্যমে সফল হতে চাইলে আপনাকে জানতে হবে অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি।
Kobo তে বই প্রকাশ করা Amazon এর মতোই সহজ, ePub ফরম্যাটে বই এবং একটি সুন্দর কভার আপলোড করলেই কিছুদিনের মধ্যে প্রকাশিত হয়ে যায়। Kobo Plus প্রোগ্রামেও যোগ দেওয়া সম্ভব যেখানে সাবস্ক্রিপশন পাঠকদের পড়া পৃষ্ঠা অনুযায়ী আলাদা আয় পাওয়া যায়।
বাংলাদেশি লেখকদের জন্য Kobo একটি চমৎকার বিকল্প কারণ Kobo র ওয়েবসাইটে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার বা PayPal এর মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া যায়। Amazon এ একাধিপত্য না দিয়ে Kobo তেও একই বই রাখলে পাঠকের সংখ্যা বাড়ে এবং আয়ের উৎস বৈচিত্র্যময় হয়। অনলাইনে ভর বিক্রি করার মাধ্যমে সফল হতে চাইলে আপনাকে জানতে হবে অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি।
iOS ব্যবহারকারীদের কাছে বই পৌঁছানোর উপয়া
Apple Books বা iBooks সেলফ পাবলিশিং প্রোগ্রাম Apple
ডিভাইস অর্থাৎ iPhone, iPad ও Mac ব্যবহারকারী লক্ষ কোটি
পাঠকের কাছে বই পৌঁছানোর একটি শক্তিশালী মাধ্যম কারণ Apple
এর ব্যবহারকারীরা সাধারণত ডিজিটাল কনটেন্টে বেশি অর্থ
ব্যয় করেন এবং বই কেনার হারও তুলনামূলকভাবে বেশি। Apple
Books এ বই প্রকাশ করলে প্রতিটি বিক্রয়ে ৭০ শতাংশ
রয়্যালটি পাওয়া যায় এবং নির্দিষ্ট মূল্যমানের নিয়ম
মেনে চললে এই রয়্যালটি নিশ্চিত থাকে।
Apple Books এ সরাসরি বই আপলোড করতে হলে ম্যাক কম্পিউটার ও
iTunes Producer সফটওয়্যার লাগে যা অনেক লেখকের কাছে না
থাকলেও Draft2Digital বা Smashwords এর মাধ্যমে Apple
Books এ বই বিতরণ করা সম্ভব। Apple ব্যবহারকারীদের কাছে
বইয়ের বিশেষ কোনো ক্যাটাগরি যেমন স্বাস্থ্য, আত্মউন্নয়ন
বা প্রযুক্তি বিষয়ক বই অনেক ভালো বিক্রি হয়।
পেমেন্ট Apple এর নিজস্ব সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংক ট্রান্সফারে পাওয়া যায় এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে পেমেন্ট প্রদান করা হয়। Apple Books কে Amazon এর পাশাপাশি ব্যবহার করলে দুটি বিশাল বাজারে একসাথে পৌঁছানো সম্ভব এবং মোট আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি জানার মাধ্যমে সহজেই বই অনলাইন এ বিক্রি করতে পারবেন।
পেমেন্ট Apple এর নিজস্ব সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংক ট্রান্সফারে পাওয়া যায় এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে পেমেন্ট প্রদান করা হয়। Apple Books কে Amazon এর পাশাপাশি ব্যবহার করলে দুটি বিশাল বাজারে একসাথে পৌঁছানো সম্ভব এবং মোট আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি জানার মাধ্যমে সহজেই বই অনলাইন এ বিক্রি করতে পারবেন।
সরাসরি পাঠকের কাছে বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম
Gumroad এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে লেখক সরাসরি
পাঠকের কাছে ই-বুক, PDF বা যেকোনো ডিজিটাল পণ্য বিক্রি
করতে পারেন এবং কোনো মধ্যস্থকারী না থাকায় বিক্রয়ের
বেশিরভাগ অর্থই লেখকের কাছে আসে। Gumroad একটি ছোট
লেনদেন ফি নেয় তবে বাকি পুরো অর্থ লেখকের হয় বলে
বিশেষ করে যারা নিজস্ব পাঠকশ্রেণি আছেন তাদের জন্য এটি
অনেক বেশি লাভজনক।
Gumroad এ বই বিক্রি করতে হলে নিজেই ট্রাফিক বা পাঠক আনতে হবে কারণ এখানে স্বয়ংক্রিয় আবিষ্কারের সুযোগ কম কিন্তু ব্লগ, ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পাঠকসম্প্রদায় থাকলে Gumroad থেকে অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। ডিসকাউন্ট অফার, প্রি সেল ও বান্ডেল অফার দেওয়া যায় বলে বিশেষ ইভেন্ট বা সিজনে বিক্রি অনেক বাড়ানো সম্ভব।
বাংলাদেশ থেকে Gumroad ব্যবহার করে PayPal বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া যায় এবং এখানে বাংলা বইসহ যেকোনো ভাষার ডিজিটাল বই বিক্রি করা সম্ভব। অনেক বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর Gumroad ব্যবহার করে নিজের পিডিএফ গাইড বা ই-বুক বিক্রি করে ভালো আয় করছেন।
Gumroad এ বই বিক্রি করতে হলে নিজেই ট্রাফিক বা পাঠক আনতে হবে কারণ এখানে স্বয়ংক্রিয় আবিষ্কারের সুযোগ কম কিন্তু ব্লগ, ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পাঠকসম্প্রদায় থাকলে Gumroad থেকে অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। ডিসকাউন্ট অফার, প্রি সেল ও বান্ডেল অফার দেওয়া যায় বলে বিশেষ ইভেন্ট বা সিজনে বিক্রি অনেক বাড়ানো সম্ভব।
বাংলাদেশ থেকে Gumroad ব্যবহার করে PayPal বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া যায় এবং এখানে বাংলা বইসহ যেকোনো ভাষার ডিজিটাল বই বিক্রি করা সম্ভব। অনেক বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর Gumroad ব্যবহার করে নিজের পিডিএফ গাইড বা ই-বুক বিক্রি করে ভালো আয় করছেন।
বাংলায় বই প্রকাশের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো
বাংলায় বই প্রকাশের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো
দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে এবং বাংলাদেশ ও
পশ্চিমবঙ্গের পাঠকদের কাছে পৌঁছাতে হলে এই
প্ল্যাটফর্মগুলো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের চেয়ে
বেশি কার্যকর হতে পারে। বাংলাদেশে Rokomari.com
একটি জনপ্রিয় বই বিক্রয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে
লেখকরা সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের ই-বুক বা পিওডি
বই তালিকাভুক্ত করতে পারেন।
Pathagar এবং Boichoi এর মতো বাংলা ই-বুক প্ল্যাটফর্মগুলোতেও লেখকরা তাদের বাংলা বই প্রকাশ করতে পারেন এবং বাংলা পাঠকদের একটি বড় অংশ এই প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়মিত ব্যবহার করেন। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে পেমেন্ট সরাসরি বাংলাদেশি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নেওয়া যায় বলে বিদেশি পেমেন্টের জটিলতা থাকে না।
Pathagar এবং Boichoi এর মতো বাংলা ই-বুক প্ল্যাটফর্মগুলোতেও লেখকরা তাদের বাংলা বই প্রকাশ করতে পারেন এবং বাংলা পাঠকদের একটি বড় অংশ এই প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়মিত ব্যবহার করেন। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে পেমেন্ট সরাসরি বাংলাদেশি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নেওয়া যায় বলে বিদেশি পেমেন্টের জটিলতা থাকে না।
আরো
পড়ুনঃ
দারাজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করতে
হয়
Facebook এ নিজস্ব পেজ খুলে সরাসরি PDF ই-বুক
বিক্রি করাও বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় হয়েছে এবং
অনেক লেখক এই পদ্ধতিতে মাসে হাজার হাজার কপি
বিক্রি করছেন। বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারে
পেমেন্ট নিয়ে ইমেইল বা মেসেঞ্জারে পিডিএফ পাঠানোর
এই পদ্ধতিটি ছোট পরিসরে শুরু করার জন্য অনেক
কার্যকর। এই জন্য আপনাকে জানতে হবে অনলাইনে
বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি।
প্রথম বই প্রকাশের পর বিনামূল্যে বা কম দামে দিয়ে রিভিউ সংগ্রহ করুন কারণ ইতিবাচক রিভিউ বইয়ের বিক্রয় বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। একটি বই প্রকাশ করেই থেমে না থেকে ধারাবাহিকভাবে বই প্রকাশ করলে প্রতিটি নতুন বই আগের বইগুলোর বিক্রিও বাড়িয়ে দেয় কারণ পাঠক নতুন বই পড়ে পছন্দ করলে লেখকের অন্য সব বইও কিনে পড়তে চান।
প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এই পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি, একসাথে অনেক স্টোরে বই পাঠানোর মাধ্যম, সহজ ইন্টারফেসে বই প্রকাশ করার নিয়ম, বাংলাদেশ থেকে বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি, iOS ব্যবহারকারীদের কাছে বই পৌঁছানোর উপয়া, সরাসরি পাঠকের কাছে বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম, বাংলায় বই প্রকাশের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো, অনলাইনে বই প্রকাশে সফল হওয়ার কার্যকর টিপস ইত্যাদি।
অনলাইনে বই প্রকাশে সফল হওয়ার কার্যকর টিপস
অনলাইনে বই প্রকাশে সফল হওয়ার জন্য শুধু ভালো বই লেখাই যথেষ্ট নয়, বই মার্কেটিং করা এবং সঠিক কভার ডিজাইন নির্বাচন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ কারণ পাঠক প্রথমে কভার দেখেই বইটি পড়ার আগ্রহ অনুভব করেন। প্রফেশনাল মানের কভার ডিজাইনের জন্য Fiverr বা 99designs এ ডিজাইনার ভাড়া করা যায় অথবা Canva ব্যবহার করে নিজেই তৈরি করা যায়।
বইয়ের বিষয়ে সঠিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করা অনলাইনে বই আবিষ্কারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ পাঠকরা যখন কোনো বিষয়ের বই খোঁজেন তখন নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড ব্যবহার করেন এবং সেই কীওয়ার্ড বইয়ের শিরোনাম, উপশিরোনাম ও বিবরণে থাকলে সার্চে উপরে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। নিয়মিত পাঠক সম্প্রদায় গড়তে ইমেইল লিস্ট তৈরি করুন এবং নতুন বই প্রকাশের আগেই পাঠকদের জানিয়ে রাখুন।
প্রথম বই প্রকাশের পর বিনামূল্যে বা কম দামে দিয়ে রিভিউ সংগ্রহ করুন কারণ ইতিবাচক রিভিউ বইয়ের বিক্রয় বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। একটি বই প্রকাশ করেই থেমে না থেকে ধারাবাহিকভাবে বই প্রকাশ করলে প্রতিটি নতুন বই আগের বইগুলোর বিক্রিও বাড়িয়ে দেয় কারণ পাঠক নতুন বই পড়ে পছন্দ করলে লেখকের অন্য সব বইও কিনে পড়তে চান।
লেখকের শেষ কথা
অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য কোন প্ল্যাটফর্ম সবচেয়ে ভালো সেই প্রশ্নের উত্তরে আজকের এই আর্টিকেলে Amazon KDP, Smashwords, Draft2Digital, Kobo, Apple Books, Gumroad এবং দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সহজ কথায় বাংলায় বই লিখলে দেশীয় প্ল্যাটফর্ম ও Facebook, ইংরেজিতে লিখলে Amazon KDP দিয়ে শুরু করুন এবং পরে একাধিক প্ল্যাটফর্মে একই বই রেখে আয়ের উৎস বৈচিত্র্যময় করুন।প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এই পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে অনলাইনে বই প্রকাশের জন্য সেরা প্লাটফর্ম কোনটি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি, একসাথে অনেক স্টোরে বই পাঠানোর মাধ্যম, সহজ ইন্টারফেসে বই প্রকাশ করার নিয়ম, বাংলাদেশ থেকে বই প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম কোনটি, iOS ব্যবহারকারীদের কাছে বই পৌঁছানোর উপয়া, সরাসরি পাঠকের কাছে বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম, বাংলায় বই প্রকাশের জন্য দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো, অনলাইনে বই প্রকাশে সফল হওয়ার কার্যকর টিপস ইত্যাদি।



টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url