মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম | হাই স্পিড ইন্টারনেট

২০২৫ সালের ৫ টি সেরা ক্যামেরার ফোন
আজকের যুগে মোবাইলে ইন্টারনেট এর ব্যবহার আমরা সবাই করে থাকি তবে অনেক সময় দেখা যায় আমাদের মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড অনেক কম। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে তবে অনেক সহজেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
মোবাইলে-ইন্টারনেট-স্পীড-বেশী-করার-নিয়ম
মোবাইলে ইন্টারনেটের স্পিড কমে যাওয়ার পেছনে কারণ হতে পারে আপনার দুর্বল নেটওয়ার্ক, ভিপিএন ব্যবহার করা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস এর কারণে ইত্যাদি। আজকে আর্টিকেলে মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম, ইন্টারনেট স্পীড কমে যাওয়ার কারণ এবং এ সম্পর্কে থাকবে বিস্তারিত তথ্য।

পোস্ট সূচীপত্রঃ মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম

মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম

মোবাইলে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করার সময় ইন্টারনেটের স্পিড হঠাৎ করে কমে যায় এর কারণে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অনেক সময় অসম্পূর্ণ হয়ে থাকে। এজন্য ইন্টারনেটে স্পিড বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে সবার জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনারা মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে পারবেন। তাই ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত।

মোবাইলে ৪জি বা ৫জি সেটিং

আমরা অনেকেই ৪জি বা ৫জি সিম ব্যবহার করে থাকি তবে অনেকেই মোবাইলের ডিফল্ট নেটওয়ার্ক সেটিং ব্যবহার করে থাকি। সেখানে অনেক সময় ২জি বা ৩জি নেটওয়ার্ক সেট করা থাকে যার কারণে আপনাদের ৪জি বা ৫জি সিম থাকলেও আপনারা অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট পান না। এটি ঠিক করা অনেক সহজ, এর জন্য প্রথমে আপনার মোবাইলে সেটিং এ যেতে হবে সেখানে থেকে নেটওয়ার্ক সেটিংস অপশনে প্রবেশ করুন। তারপর মোবাইল নেটওয়ার্ক অপশনে গিয়ে নেটওয়ার্ক মোড ৪জি বা ৫জি তে সেট করে দিন। এতে আপনার ইন্টারনেট স্পীড অনেক বেড়ে যাবে।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা

আপনার হাই স্পিড ইন্টারনেটের সিম বা ওয়াইফাই থাকার পরেও আপনার মোবাইলে ইন্টারনেটের স্পিড যদি কম হয় তাহলে এর একটি প্রধান কারণ হতে পারে আপনার মোবাইলের ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস। অনেকগুলো অ্যাপ থেকে বের হয়ে গেলেও যেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকে। এর ফলে আমাদের ইন্টারনেটের স্পিড অনেক কমে যায়। এজন্য আপনি যে অ্যাপস গুলো ব্যবহার করেন না সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সম্পূর্ণভাবে কেটে দিন এবং সেই অ্যাপ গুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড বন্ধ করে দিন, যেন তারা আপনার ডেটা ব্যবহার করতে না পারে। এজন্য সেটিংসে গিয়ে অ্যাপস অপশনে প্রবেশ করুন এবং প্রতিটি অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার বন্ধ করে দিন।

আপনি চাইলে নির্দিষ্ট অ্যাপস এর ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার বন্ধ করে দিতে পারেন। এজন্য মোবাইলের সেটিংসে প্রবেশ করুন। তারপর অ্যাপস অপশনে গিয়ে যে অ্যাপ এর ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করতে চান সেটিতে ট্যাপ করুন। তারপর Mobile Data অথবা Data Usage অপশনে যান। এখানে Background Data অপশন বন্ধ করে দিন। এভাবে প্রতিটি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ এর ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করে দিন। এতে আপনার ডেটা সেভ হবে এবং ইন্টারনেট স্পীড বাড়বে।
মোবাইলে-ইন্টারনেট-স্পীড-বেশী-করার-নিয়ম-জেনে-নিন

ডেটা সেভার মোড চালু করা

আপনি যদি অনেকগুলো অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন এবং আপনার পক্ষে সবগুলো অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করা সম্ভব না হয় তাহলে আপনি ডেটা সেভার মোড চালু তো করতে পারেন। মোবাইলে ডেটা সেভার মোড চালু করলে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস গুলোর ডেটা ব্যবহার সীমিত হয়ে যায় যার ফলে এই কাজটা আপনাকে নিজে থেকে করতে হয় না। এজন্য সেটিংসে গিয়ে নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অপশনে প্রবেশ করুন এবং ডেটা সেভার মোড অন করে দিন। এখন বেশিরভাগ ব্রাউজার এবং মোবাইলেই ডেটা সেভার মোড চালু করা অপশনটি পাওয়া যায়।
আপনি যে ব্রাউজার ব্যবহার করেন সেখানেও ডেটা সেভার মোড চালু করতে পারেন। গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ডেটা সেভার মোড চালু করার জন্য ক্রোম ওপেন করুন। তারপর উপরের ডান কোণায় থাকা থ্রি ডট মেনুতে ট্যাপ করুন। সেটিংসে প্রবেশ করে Lite Mode অথবা Data Saver অপশন খুঁজুন। এটি চালু করে দিন। এতে ক্রোম ব্রাউজার ওয়েবপেজ কম্প্রেস করে লোড করবে এবং ডেটা খরচ কম হবে।

ফাস্ট ব্রাউজার ব্যবহার করা

অনেক সময় আমাদের মোবাইলের ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকলেও বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করার সময় ঠিকঠাকভাবে ইন্টারনেটের স্পিড পাওয়া যায় না। এটি হতে পারে বিভিন্ন ব্রাউজারের সমস্যার কারণে। তবে আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার জন্য দ্রুতগতির ব্রাউজার ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা এই সমস্যাটি অনেক সহজে সমাধান করতে পারি। আপনি যদি ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর জন্য ক্রোম, ব্রেভ ব্রাউজার, অপেরা মিনি ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় ব্রাউজার গুলো ব্যবহার করেন তাহলে এই সমস্যা অনেক সহজে সমাধান হতে পারবে। এই ব্রাউজারগুলো ব্যবহার করলে ওয়েবপেজ দ্রুত লোড হয় এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় হাই স্পিড ইন্টারনেট পেতে পারবেন। ভালোভাবে ব্রাউজার ব্যবহার করে মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আনইনস্টল করা

আপনি মোবাইলে যে সকল অ্যাপস যেগুলো ব্যবহার করেন না সেগুলো অনেক সময় অতিরিক্ত ডাটা নিয়ে থাকে যার কারণে আমাদের মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড কমে যেতে পারে। এই জন্য আপনি যদি মোবাইল থেকে ইন্টারনেট স্পিড বেশি করতে চান তাহলে আপনার ফোন থেকে সকল অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো আনইনস্টল করে নিন। এই অ্যাপস গুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং মোবাইলের রিসোর্স খরচ করে। এর ফলে মোবাইলের পারফরম্যান্স কমে যায় এবং ইন্টারনেট স্পীডও কমে যায়। তাই অপ্রয়োজনীয় সকল অ্যাপস ডিলিট করা আপনার জন্য সেরা।

অটো আপডেট বন্ধ করা

আপনার মোবাইলে যদি অটো আপডেট চালু থাকে তাহলে ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই অ্যাপসগুলো আপডেট হতে শুরু করে। এতে আপনার অনেক ডাটা খরচ হয় এবং ইন্টারনেট গতিকে অনেক কমে দিতে পারে। তাই অটো আপডেট বন্ধ রাখা আপনার জন্য সেরা হতে পারে এছাড়া আপনি যখন ইচ্ছা প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানুয়ালি আপডেট করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে শুধু ওয়াইফাই থেকেই অ্যাপস গুলো আপডেট হবে এমনটা সেটিং এ করে রাখতে পারেন। এজন্য গুগল প্লে স্টোরের সেটিংসে গিয়ে অটো আপডেট অপশন বন্ধ করে দিন অথবা ওয়াইফাই তে ডাউনলোড হবে সেটিং করে রাখুন।

ক্যাশ মেমোরি ভরে যাওয়া

আমরা মোবাইলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি, এই অ্যাপস গুলো আমাদের মোবাইলে ক্যাশ মেমোরি জমা করতে থাকে। সময়ের সাথে সাথে এই ক্যাশ ডেটা বেশি জমা হয়ে যায়। এর ফলে মোবাইলের স্টোরেজ ভরে যায় এবং মোবাইলের পারফরম্যান্স কমে যায়। ক্যাশ মেমোরি ভরে গেলে ইন্টারনেট স্পীডও কমে যায়। তাই নিয়মিত ক্যাশ মেমোরি ক্লিয়ার করার মাধ্যমে আপনারা অনেক সহজেই হাই স্পিড ইন্টারনেট পেতে পারবেন।

নিয়মিত ক্যাশ মেমোরি ক্লিয়ার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। প্রথমত, মোবাইলের স্টোরেজ খালি হয় এবং নতুন ডেটা সংরক্ষণ করার জায়গা পাওয়া যায়। দ্বিতীয়ত, মোবাইলের পারফরম্যান্স বাড়ে এবং অ্যাপস দ্রুত কাজ করে। তৃতীয়ত, ইন্টারনেট স্পীড বাড়ে কারণ ব্রাউজার নতুন করে ডেটা লোড করে। চতুর্থত, অ্যাপস এর বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়ে যায়। তাই নিয়মিত ক্যাশ মেমোরি ক্লিয়ার করা অত্যন্ত জরুরী।

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করার নিয়ম

আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড কেমন সেটা জানার জন্য অবশ্যই স্পীড টেস্ট করতে হবে। স্পীড টেস্ট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডাউনলোড স্পীড, আপলোড স্পীড এবং পিং জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কিভাবে ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত।

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো স্পীড টেস্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করা। জনপ্রিয় কিছু স্পীড টেস্ট ওয়েবসাইট হলো Speedtest.net, Fast.com এবং Google Speed Test। এই ওয়েবসাইট গুলোতে প্রবেশ করে Go বা Start Test বাটনে ক্লিক করলেই স্পীড টেস্ট শুরু হবে। টেস্ট শেষ হলে আপনার ডাউনলোড স্পীড, আপলোড স্পীড এবং পিং দেখতে পারবেন।

আপনি চাইলে গুগল প্লে স্টোর থেকে স্পীড টেস্ট অ্যাপ ডাউনলোড করে ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করতে পারেন। Speedtest by Ookla, Meteor এবং V-Speed এই ধরনের জনপ্রিয় স্পীড টেস্ট অ্যাপ। এই অ্যাপ গুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তারপর অ্যাপ ওপেন করে "Start Test" বাটনে ট্যাপ করলেই স্পীড টেস্ট শুরু হবে। অ্যাপ গুলো আপনার স্পীড টেস্ট হিস্টরি সংরক্ষণ করে রাখে।

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত, স্পীড টেস্ট করার সময় অন্য কোনো অ্যাপ যেন ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, স্পীড টেস্ট করার সময় আপনার মোবাইল থেকে ওয়াইফাই অথবা অন্য কোনো ডিভাইস যেন কানেক্টেড না থাকে। তৃতীয়ত, সঠিক ফলাফলের জন্য দিনের বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে স্পীড টেস্ট করুন।
নেটওয়ার্ক-সেটিংস-পরিবর্তন-করে-স্পীড-বাড়ানোর-উপায়

নেটওয়ার্ক সেটিংস পরিবর্তন করে স্পীড বাড়ানোর উপায়

আপনার মোবাইলের নেটওয়ার্ক সেটিংস সঠিকভাবে কনফিগার করা না থাকলে ইন্টারনেট স্পীড কম হতে পারে। নেটওয়ার্ক সেটিংস পরিবর্তন করে আপনি সহজেই ইন্টারনেট স্পীড বাড়াতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, নেটওয়ার্ক সেটিংস পরিবর্তন করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত।

আপনার মোবাইলের সেটিংসে গিয়ে নেটওয়ার্ক সেটিংস অপশনে প্রবেশ করুন। তারপর মোবাইল নেটওয়ার্ক অপশনে গিয়ে প্রেফার্ড নেটওয়ার্ক টাইপ অপশন খুঁজুন। এখানে ৫জি অথবা ৪জি সিলেক্ট করুন। অনেক সময় এটি অটো মোডে সেট করা থাকে যার ফলে মোবাইল ২জি এবং ৩জি নেটওয়ার্ক ও ব্যবহার করে। ৪জি বা ৫জি তে সেট করলে সর্বোচ্চ স্পীড পাবেন।

আপনি চাইলে APN সেটিংস পরিবর্তন করার মাধ্যমেও হাই স্পিড ইন্টারনেট পেতে পারবেন। APN হলো Access Point Name যা আপনার মোবাইলকে ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্ট করে। সঠিক APN সেটিংস না থাকলে ইন্টারনেট স্পীড কম হতে পারে। আপনার মোবাইল অপারেটরের ওয়েবসাইট বা কাস্টমার কেয়ার থেকে সঠিক APN সেটিংস জেনে নিন। তারপর মোবাইলের সেটিংসে গিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপশনে APN সেটিংস পরিবর্তন করুন। সঠিক APN সেটিংস দিলে ইন্টারনেট স্পীড বাড়তে পারে।
অনেক সময় মোবাইল অটোমেটিক মোডে দুর্বল নেটওয়ার্ক টাওয়ারে কানেক্ট হয়ে যায়। এজন্য নেটওয়ার্ক অপারেটর ম্যানুয়াল সিলেক্ট করতে পারেন। সেটিংসে গিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপশনে প্রবেশ করুন। তারপর নেটওয়ার্ক অপারেটর অপশনে গিয়ে ম্যানুয়াল সিলেক্ট করুন। এখানে উপলব্ধ সকল নেটওয়ার্ক দেখাবে। আপনার অপারেটরের যে নেটওয়ার্কে বেশি সিগন্যাল দেখাচ্ছে সেটি সিলেক্ট করুন। এতে ইন্টারনেট স্পীড বাড়তে পারে।

ইন্টারনেট স্পিড বুস্টার অ্যাপস ব্যবহার করা

অনেক ধরনের অ্যাপস রয়েছে যেগুলো দাবি করে যে এগুলো ইন্টারনেট স্পীড বাড়ায়। তবে সব অ্যাপস কার্যকর নয়। কিছু অ্যাপস সত্যিই ইন্টারনেট স্পীড বাড়াতে সাহায্য করে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন অ্যাপস গুলো ইন্টারনেট স্পীড বুস্ট করতে সাহায্য করে।

কিছু অ্যাপস রয়েছে যেগুলো মোবাইলের নেটওয়ার্ক সেটিংস অপটিমাইজ করে ইন্টারনেট স্পীড বাড়ায়। তবে মনে রাখতে হবে এই অ্যাপস গুলো আসলে আপনার নেটওয়ার্ক স্পীড বাড়ায় না বরং মোবাইলের অন্যান্য প্রসেস অপটিমাইজ করে ইন্টারনেট কানেকশন ভালো করে। এই ধরনের কিছু অ্যাপস হলো Internet Speed Booster, Network Master এবং Connection Stabilizer। এই অ্যাপস গুলো ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস বন্ধ করে এবং ক্যাশ ক্লিয়ার করে ইন্টারনেট স্পীড বাড়াতে সাহায্য করে।

ইন্টারনেট স্পীড বুস্টার অ্যাপস ব্যবহার করার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত, সব ধরনের স্পীড বুস্টার অ্যাপস বিশ্বাস করা উচিত নয়। অনেক অ্যাপস রয়েছে যেগুলো শুধুমাত্র এড দেখায় এবং কোনো কাজ করে না। দ্বিতীয়ত, স্পীড বুস্টার অ্যাপস আসলে আপনার নেটওয়ার্ক স্পীড বাড়ায় না, এগুলো শুধু মোবাইল অপটিমাইজ করে। তৃতীয়ত, শুধুমাত্র বিশ্বস্ত সোর্স থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করুন। চতুর্থত, খুব বেশি অপটিমাইজার অ্যাপস ব্যবহার না করাই ভালো কারণ এতে মোবাইল আরো স্লো হয়ে যেতে পারে।

লেখকের শেষ কথা

যদি আপনি আপনার মোবাইলের যত্ন নিতে পারেন এবং উপরে উল্লিখিত টিপস গুলো ফলো করতে পারেন তাহলে আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড অনেক বেড়ে যাবে। ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানোর জন্য কোনো এক্সট্রা খরচের প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলেই ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানো সম্ভব। প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম এই পোস্টটি লেখা। আপনাদের যদি এ পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম, মোবাইলে ৪জি বা ৫জি সেটিং, ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা, ডেটা সেভার মোড চালু করা, ফাস্ট ব্রাউজার ব্যবহার করা, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আনইনস্টল করা, অটো আপডেট বন্ধ করা, ক্যাশ মেমোরি ভরে যাওয়া, ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট করার নিয়ম, নেটওয়ার্ক সেটিংস পরিবর্তন করে স্পীড বাড়ানোর উপায়, ইন্টারনেট স্পিড বুস্টার অ্যাপস ব্যবহার করা ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url