তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম

মুখের ব্রণ কমানোর ঘরোয়া কার্যকরী উপায়

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলসীর ভেতরে অনেক ঔষধি গুণ লুকিয়ে আছে সেটা অনেকেই জানেন না।

তুলসী-পাতা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-সঠিক-নিয়ম-জানুন
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানব তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা কী কী, কোন রোগে কতটুকু খেতে হয় এবং কখন তুলসী পাতা খাওয়া উচিত নয়।

পেজ সূচিপত্রঃ তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি যেটি আমাদের বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে এবং সর্দি কাশির মতো সাধারণ রোগ দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। তুলসীতে রয়েছে ইউজেনল, রোসমারিনিক অ্যাসিড, অ্যাপিজেনিন এবং লুটেওলিনসহ শতাধিক উপকারী যৌগ যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুরক্ষিত রাখে। আপনি যদি নিয়মিত তুলসী পাতা খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪ থেকে ৫টি তাজা তুলসী পাতা চিবিয়ে খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। তবে তুলসী পাতা কখনো দাঁত দিয়ে চিবানো উচিত নয় কারণ এতে পারদের মতো কিছু উপাদান আছে যা দাঁতের এনামেল নষ্ট করতে পারে। তাই পাতা মুখে দিয়ে গিলে ফেলা অথবা পানিতে ভিজিয়ে জুস করে খাওয়া বেশি নিরাপদ। আপনি চাইলে নিয়মিত তুলসী পাতা খাওয়ার একটি রুটিন তৈরি করতে পারেন কারণ এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

তুলসী পাতা বিভিন্নভাবে খাওয়া যেতে পারে যেমন তুলসী পাতা কাঁচা, রস করে, চা বানিয়ে বা রান্নায় মিশিয়ে খাওয়া ইত্যাদি। প্রতিটি পদ্ধতির আলাদা আলাদা উপকারিতা আছে এবং রোগভেদে বিভিন্ন পদ্ধতি বেশি কার্যকর হয়। সঠিক নিয়মে নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে এটি আমাদের শরীরের সকল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো মেরে ফেলে যার ফলে আমরা সুস্থ থাকি।

তুলসী পাতা রোগ প্রতিরোধে কতটা কার্যকর

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। তুলসীতে থাকা ভিটামিন সি এবং জিংক শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বাড়ায় যা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে। তুলসী পাতায় থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ শরীরের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে। তুলসীর নির্যাস E.coli, Staphylococcus এবং Salmonella এর মতো বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

এই কারণেই আগেকার দিনে গ্রামে অনেক ছোটখাট অসুখে ডাক্তারের বদলে তুলসী পাতা ব্যবহার করা হতো এবং সেটা বেশ কার্যকরও ছিল। এছাড়াও তুলসী পাতায় শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীর থেকে ফ্রি র‍্যাডিকেল দূর করে। ফ্রি র‍্যাডিকেল হলো এমন ক্ষতিকর অণু যা ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং বার্ধক্যের অন্যতম কারণ। নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে এই ক্ষতিকর প্রক্রিয়াকে অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হয়। সঠিক নিয়মে তুলসী পাতা খাওয়া আমাদের জন্য জরুরি এজন্য জানতে হবে তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম।

সর্দি কাশিতে তুলসী পাতা খাওয়ার সঠিক নিয়ম

সর্দি কাশিতে তুলসী পাতা ব্যবহারের কথা আমাদের দাদা-নানার আমল থেকেই প্রচলিত। তুলসীতে থাকা ইউজেনল একটি শক্তিশালী প্রদাহনাশক উপাদান যা গলা ব্যথা ও কফ কমাতে দ্রুত কাজ করে। সর্দি কাশিতে তুলসী পাতার রস আদা ও মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে মাত্র দুই থেকে তিন দিনেই অনেকটাই কমে যায়। সর্দি কাশির সময় তুলসী পাতা খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো তুলসী চা। প্রথমে ১০ থেকে ১২টি তাজা তুলসী পাতা নিয়ে দুই কাপ পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিন।
এরপর এতে এক চা চামচ আদার রস, আধা চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করুন। এই মিশ্রণটি ব্রংকাইটিস ও হাঁপানির রোগীদের জন্যও বিশেষভাবে উপকারী।তুলসী পাতার বাষ্প নেওয়া বা স্টিম ইনহেলেশনও সর্দি কাশিতে খুব দ্রুত কাজ করে। এক গামলা গরম পানিতে একমুঠো তুলসী পাতা দিয়ে মাথায় কাপড় ঢেকে ৫ থেকে ১০ মিনিট বাষ্প নিলে বুকে জমা কফ তরল হয়ে বের হয়ে আসে এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার হয়।

তুলসী পাতা কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতার মধ্যে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তুলসী পাতায় থাকা ইউজেনল এবং মিথাইল ইউজেনল প্যাংক্রিয়াসের বেটা কোষগুলোকে সক্রিয় করে আরও বেশি ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে তুলসী পাতা ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তুলসী পাতা খাওয়ার সঠিক নিয়ম হলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসী পাতার রস খাওয়া। আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম জানা অনেক জরুরী।
তুলসী-পাতা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-সঠিক-নিয়ম
৫ থেকে ৭টি তাজা তুলসী পাতা ব্লেন্ড করে রস বের করে সামান্য পানি মিশিয়ে পান করুন। এই পদ্ধতিতে নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে রক্তের সুগার লেভেল আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে। তবে আমাদের এটি মনে রাখতে হবে যে তুলসী পাতা ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয় বরং এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে মাত্র সাহায্য করে শুধুমাত্র। যারা ইতিমধ্যে ডায়াবেটিসের ওষুধ খাচ্ছেন তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একসাথে তুলসী পাতার রস খাওয়া শুরু করবেন না কারণ এতে রক্তের সুগার অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

হজম শক্তি বাড়াতে কি তুলসী পাতা সাহায্য করে

পেট সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় তুলসী পাতা একটি অত্যন্ত কার্যকর ঘরোয়া সমাধান। তুলসীতে থাকা ইউজেনল হজম রসের উৎপাদন বাড়িয়ে খাবার পরিপাকে সাহায্য করে। গ্যাস, বদহজম, পেট ফাঁপা এবং পেটের ক্র্যাম্পের মতো সমস্যায় তুলসী পাতার চা খুব দ্রুত ঠিক করে দিতে পারে। বমি বমি ভাব বা বমি হলে তুলসী পাতার রস এক চামচ করে পান করলে দ্রুত স্বস্তি পাওয়া যায়। ভ্রমণে যাওয়ার আগে তুলসী পাতার রস খেলে মোশন সিকনেস বা যানবাহনে উঠলে বমির প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়।

এছাড়াও অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে পেটে অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসে। আলসারের রোগীদের জন্যও তুলসী পাতা উপকারী, তুলসীতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড পাকস্থলীর ক্ষতিগ্রস্ত আবরণ মেরামত করতে সাহায্য করে। তবে পেটের যেকোনো গুরুতর সমস্যায় শুধু তুলসীর উপর নির্ভর না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম জানার মাধ্যমে আমরা নিজেদের সহজেই সুস্থ রাখতে পারব।

তুলসী পাতা কি ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী

তুলসী পাতা শুধু ভেতরে নয় বাইরে থেকেও শরীরকে সুন্দর রাখে। ত্বকের ক্ষেত্রে তুলসী পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণ এবং ত্বকের ইনফেকশন কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। তুলসী পাতা বেটে মুখে লাগালে ব্রণের জীবাণু মরে যায় এবং ত্বক পরিষ্কার হয়। মুখে কালো দাগ বা পিগমেন্টেশনের সমস্যায় তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে লাগালে দাগ অনেকাংশেই কমে আসে। এজন্য আপনারা নিয়মিত তুলসী পাতা খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের সাথে ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন।
এর পাশাপাশি চুলের যত্নেও তুলসী পাতা অনেক উপকারী। তুলসী পাতার রস মাথার তালুতে মালিশ করলে চুলের গোড়া শক্ত হয় এবং চুল পড়া কমে। খুশকির সমস্যায় তুলসী পাতার রস নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে দুইবার মাথায় লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়। নিয়মিত ব্যবহারে চুল মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। রোদে পোড়া ত্বকের যত্নেও তুলসী পাতা কাজে আসে। তুলসী পাতার রসের সাথে সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে রোদে পোড়া জায়গায় লাগালে ত্বকের জ্বালা কমে এবং ত্বক দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে।

মানসিক চাপ কমাতে তুলসী পাতা কিভাবে কাজ করে

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতার মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি অনেকের কাছে নতুন মনে হতে পারে। তুলসীকে অ্যাডাপ্টোজেন বলা হয় অর্থাৎ এটি শরীর ও মনকে মানসিক চাপের সাথে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। তুলসীতে থাকা ওসিমোসাইড এবং ওসিমারিন যৌগ মস্তিষ্কে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমিয়ে মানসিক প্রশান্তি আনতে সাহায্য করে। আপনি যদি অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকেন তাহলে নিয়মিত তুলসী পাতা খাওয়ার একটি ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

আপনি যদি নিয়মিত তুলসী পাতা খান তাহলে অনেক সহজেই আপনার উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি কমে যাবে। যারা ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন তারা রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ তুলসী চা পান করলে ভালো ঘুম হয় কারণ এটি নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে। অফিসের চাপে বা পারিবারিক টেনশনে যখন মাথা ভার লাগে তখন মাত্র কয়েকটি তুলসী পাতা চিবোলে বা তুলসী চা পান করলে মাথা হালকা লাগে। এই সহজ অভ্যাসটি দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে অনেকটাই সাহায্য করে।

তুলসী পাতা দিয়ে চা বানানোর সঠিক নিয়ম

তুলসী পাতার চা বানানো খুবই সহজ কিন্তু সঠিক পদ্ধতি না জানলে এর পুরো গুণ পাওয়া যায় না। প্রথমে ১০ থেকে ১৫টি তাজা তুলসী পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর দুই কাপ বিশুদ্ধ পানি একটি পাত্রে দিয়ে চুলায় বসান। পানি ফুটতে শুরু করলে তুলসী পাতাগুলো দিয়ে দিন এবং মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট ফুটতে দিন। ৫ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে আরও ৩ মিনিট রেখে দিন যাতে তুলসীর সব গুণ পানিতে ভালোভাবে মিশে যায়।
এরপর ছেঁকে নিয়ে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন। চাইলে এতে আদা, দারচিনি বা এলাচও যোগ করতে পারেন যা স্বাদ এবং গুণ দুটোই বাড়িয়ে দেবে। সকালে খালি পেটে বা সন্ধ্যায় এই চা পান করা সবচেয়ে ভালো। চিনি না মিশিয়ে মধু ব্যবহার করুন কারণ চিনি তুলসীর কিছু উপকারী গুণকে নষ্ট করে দেয়। প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপের বেশি তুলসী চা না পান করাই ভালো। অনেকেই নিয়মিত তুলসী পাতা খান তবে সঠিক নিয়ম না জানার জন্য সকল পুষ্টি পেতে পারেন না তবে তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম জানার মাধ্যমে তুলসী পাতার সকল পুষ্টি পেতে পারবেন।

তুলসী পাতা খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে

তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা অনেক হলেও কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। গর্ভবতী মহিলাদের অতিরিক্ত তুলসী পাতা খাওয়া উচিত নয় কারণ এটি জরায়ুকে সংকুচিত করতে পারে। রক্ত পাতলা করার ওষুধ যেমন ওয়ারফারিন বা অ্যাসপিরিন খাচ্ছেন এমন রোগীদেরও বেশি পরিমাণে তুলসী পাতা খাওয়া ঠিক নয় কারণ এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। দাঁত দিয়ে সরাসরি তুলসী পাতা চিবানো থেকে বিরত থাকুন কারণ তুলসীতে থাকা পারদের মতো যৌগ দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে।
তুলসী-পাতা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-সঠিক-নিয়ম-বিস্তারিও
পাতা গিলে ফেলা বা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। শিশুদের ক্ষেত্রে তুলসীর পরিমাণ বড়দের তুলনায় অর্ধেক রাখুন। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পরিমাণে তুলসী পাতা খেলে লিভারে চাপ পড়তে পারে তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগে তুলসী পাতা নিয়মিত খাওয়া শুরু করার আগে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

লেখকের শেষ কথা

তুলসী পাতা খাওয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে হজম শক্তি বাড়ানো, সর্দি কাশি সারানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ত্বক ও চুলের যত্ন এবং মানসিক চাপ কমানো সব ক্ষেত্রেই তুলসী পাতার অসাধারণ কার্যকারিতা রয়েছে। এটি পাশের বাগানে বা বাড়ির ছাদে সহজেই জন্মানো যায় তাই এই প্রাকৃতিক ঔষধটি সবার নাগালের মধ্যেই আছে। আমার মতে প্রতিদিনের রুটিনে মাত্র কয়েকটি তুলসী পাতা বা এক কাপ তুলসী চা যোগ করলে আমাদের স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

প্রিয় পাঠক আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টটি লেখা আপনাদের যদি এই পোস্টটি সহায়ক মনে হয় তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে একটি শেয়ার করুন যেন তারাও জানতে পারে তুলসী পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম, তুলসী পাতা রোগ প্রতিরোধে কতটা কার্যকর, সর্দি কাশিতে তুলসী পাতা খাওয়ার সঠিক নিয়ম, তুলসী পাতা কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, হজম শক্তি বাড়াতে কি তুলসী পাতা সাহায্য করে, তুলসী পাতা কি ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী, মানসিক চাপ কমাতে তুলসী পাতা কিভাবে কাজ করে, তুলসী পাতা দিয়ে চা বানানোর সঠিক নিয়ম, তুলসী পাতা খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে ইত্যাদি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেক সমাজের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url